২৫/৭২. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬২৭ - তাওয়াফ, দুই রাকাত সালাত ও সাঈ
তাওয়াফের দুই রাকাত সালাত মাকামে ইব্রাহীমের পশ্চাতে আদায় করা।
তাওয়াফের পর দুই রাকাত ও সাফার দিকে যাওয়া
সহীহ বুখারী : ১৬২৭
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬২৭
حَدَّثَنَا آدَمُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ دِينَارٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ يَقُولُ قَدِمَ النَّبِيُّ ﷺ فَطَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا وَصَلَّى خَلْفَ الْمَقَامِ رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ خَرَجَ إِلَى الصَّفَا وَقَدْ قَالَ اللهُ تَعَالَى : ﴾لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِي رَسُولِ اللهِ أُسْوَةٌ حَسَنَةٌ﴿
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) মক্কায় উপনীত হয়ে সাত চক্করে (বাইতুল্লাহর) তাওয়াফ সম্পন্ন করে মাকামে ইব্রাহীমের পিছনে দু’ রাক’আত সালাত আদায় করলেন। অতঃপর সাফার দিকে বেরিয়ে গেলেন।[ইব্নু ‘উমর (রাঃ) বলেন] মহান আল্লাহ বলেছেনঃ “নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ”- (আল-আহযাবঃ ২৩)
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬২৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর হজ্জ বা উমরাহর আমলের একটি পরিষ্কার ধারাবাহিকতা এসেছে। তিনি মক্কায় এসে বায়তুল্লাহর সাত চক্কর তাওয়াফ করেন। এরপর মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে দুই রাকাত সালাত আদায় করেন। তারপর সাফার দিকে বেরিয়ে যান। হাদিসের শেষে আল্লাহর বাণী স্মরণ করানো হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর মধ্যে উত্তম আদর্শ রয়েছে। তাই তাওয়াফের নিয়ম, তাওয়াফের সালাত এবং সাফা-মারওয়া সাঈর শুরু—এসব বিষয়ে নবীজির আমলকে সামনে রাখা উচিত। এই বর্ণনা মানুষকে সহজভাবে বুঝতে সাহায্য করে যে ইবাদত শুধু আবেগ নয়, বরং অনুসরণযোগ্য একটি পদ্ধতিও।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফ সাত চক্করে সম্পন্ন করার বর্ণনা এসেছে।
- তাওয়াফের পর মাকামে ইব্রাহীমের পেছনে দুই রাকাত সালাত আদায় করা হয়েছে।
- এরপর সাফার দিকে যাওয়া নবীজির আমলের অংশ।
- রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল মুসলিমের জন্য আদর্শ।
