২৫/৮৫. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৫৮ - আরাফার দিনে হাজীর সাওম না রাখা
আরাফার দিবসে সওম।
আরাফার দিন সাওম: নবী صلى الله عليه وسلم শরবত পান করার ঘটনা
সহীহ বুখারী : ১৬৫৮
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৬৫৮
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ حَدَّثَنَا سَالِمٌ قَالَ سَمِعْتُ عُمَيْرًا مَوْلَى أُمِّ الْفَضْلِ عَنْ أُمِّ الْفَضْلِ شَكَّ النَّاسُ يَوْمَ عَرَفَةَ فِي صَوْمِ النَّبِيِّ ﷺ فَبَعَثْتُ إِلَى النَّبِيِّ بِشَرَابٍ فَشَرِبَهُ
উম্মুল ফায্ল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আরাফার দিনে নবী (ﷺ)-এর সাওমের ব্যাপারে লোকজন সন্দেহ করতে লাগলেন। তাই, আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট শরবত পাঠিয়ে দিলাম। তিনি তা পান করলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৬৫৮-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আরাফার দিনে নবী صلى الله عليه وسلم সাওমে ছিলেন কি না—এ নিয়ে লোকদের সন্দেহের কথা এসেছে। উম্মু ফাযল (রাঃ) নবী صلى الله عليه وسلم-এর কাছে শরবত পাঠান। নবী صلى الله عليه وسلم তা পান করেন। বর্ণনাটি খুব স্পষ্ট এবং সংক্ষিপ্ত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আরাফার ময়দানে নবী صلى الله عليه وسلم সেদিন পানীয় গ্রহণ করেছেন, ফলে উপস্থিত মানুষ তাঁর অবস্থা বুঝতে পেরেছে। এই হাদিস থেকে অতিরিক্ত সাধারণ কথা বানিয়ে বলা ঠিক নয়; শুধু বলা যায়, আরাফার দিনের হজ্জ অবস্থায় নবী صلى الله عليه وسلم শরবত পান করেছেন। এটি মানুষের সন্দেহ দূর করারও একটি বাস্তব উপায় ছিল। হজ্জে ইবাদত, শক্তি ও পরিষ্কার বোঝাপড়া—সবই এখানে সুন্দরভাবে দেখা যায়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আরাফার দিনে নবী صلى الله عليه وسلم-এর সাওম নিয়ে লোকদের সন্দেহ হয়েছিল।
- উম্মু ফাযল (রাঃ) শরবত পাঠিয়ে বিষয়টি পরিষ্কার করেন।
- নবী صلى الله عليه وسلم শরবত পান করেন, ফলে উপস্থিতদের সন্দেহ দূর হয়।
- হজ্জের দিনে শক্তি ধরে রাখার বিষয়ও এই ঘটনা থেকে বোঝা যায়।
