৩০/৩২. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৩৯ - রোজা অবস্থায় শিঙ্গা লাগানো

সায়িমের সিঙ্গা লাগানো বা বমি করা।

وَقَالَ لِي يَحْيَى بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلَّامٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُمَرَ بْنِ الْحَكَمِ بْنِ ثَوْبَانَ سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ؓ إِذَا قَاءَ فَلَا يُفْطِرُ إِنَّمَا يُخْرِجُ وَلَا يُولِجُ وَيُذْكَرُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّهُ يُفْطِرُ وَالْأَوَّلُ أَصَحُّ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ وَعِكْرِمَةُ الصَّوْمُ مِمَّا دَخَلَ وَلَيْسَ مِمَّا خَرَجَ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عنهما يَحْتَجِمُ وَهُوَ صَائِمٌ ثُمَّ تَرَكَهُ فَكَانَ يَحْتَجِمُ بِاللَّيْلِ وَاحْتَجَمَ أَبُو مُوسَى لَيْلًا وَيُذْكَرُ عَنْ سَعْدٍ وَزَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ وَأُمِّ سَلَمَةَ احْتَجَمُوا صِيَامًا وَقَالَ بُكَيْرٌ عَنْ أُمِّ عَلْقَمَةَ كُنَّا نَحْتَجِمُ عِنْدَ عَائِشَةَ فَلَا تَنْهَى وَيُرْوَى عَنْ الْحَسَنِ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مَرْفُوعًا فَقَالَ أَفْطَرَ الْحَاجِمُ وَالْمَحْجُومُ وَقَالَ لِي عَيَّاشٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ مِثْلَهُ قِيلَ لَهُ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ نَعَمْ ثُمَّ قَالَ اللَّهُ أَعْلَمُইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ইয়াহইয়া ইবন সালিহ (রহঃ) আমাকে বলেছেন...আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, বমি করলে সওম ভঙ্গ হয় না। কেননা এতে কিছু বের হয়, ভিতরে প্রবেশ করে না। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে এও বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেছেন, সওম ভঙ্গ হয়ে যাবে। প্রথম উক্তিটি বেশি সহীহ। ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) এবং ‘ইকরিমা (রহঃ) বলেন, কোনো কিছু ভিতরে প্রবেশ করলে সওম নষ্ট হয়; কিন্তু বের হওয়ার কারণে নয়।ইবন ‘উমার (রাঃ) সায়িম অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন। অবশ্য পরবর্তী সময় তিনি দিনে শিঙ্গা লাগানো ছেড়ে দিয়ে রাতে শিঙ্গা লাগাতেন। আবূ মূসা (রাঃ) রাতে শিঙ্গা লাগিয়েছেন। সা‘ঈদ, যায়দ ইবন আরকাম এবং উম্মু সালামা (রাঃ) সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা সকলেই সওম পালনকারী অবস্থায় শিঙ্গা লাগাতেন। বুকাইর (রহঃ) উম্মু ‘আলকামা (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, আমরা ‘আয়িশা (রাঃ)-এর সামনে শিঙ্গা লাগাতাম, তিনি আমাদের নিষেধ করতেন না।হাসান (রহঃ) হতে একাধিক রাবী সূত্রে মারফূ হাদীসে আছে যে, শিঙ্গা প্রয়োগকারী এবং গ্রহণকারী উভয়ের সওমই নষ্ট হয়ে যাবে। ইমাম বুখারী (রহঃ) বলেন, ‘আয়িশা (রহঃ) হাসান (রহঃ) হতে আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, এ কি নবী হতে বর্ণিত? তিনি বললেন, হাঁ। অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহই সবচেয়ে অধিক জানেন।"

রোজা অবস্থায় শিঙ্গা: সংক্ষিপ্ত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৩৯

حَدَّثَنَا أَبُو مَعْمَرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ احْتَجَمَ النَّبِيُّ ﷺ وَهُوَ صَائِمٌ

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) সায়িম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন।

সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৩৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) সায়েম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন। বর্ণনাটি ছোট, তাই এর ব্যাখ্যাও সরল রাখা উচিত। এখানে শুধু এতটুকু নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর সাওম অবস্থায় শিঙ্গা লাগানোর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। এই হাদিসকে চিকিৎসা, শক্তি বা দুর্বলতা সম্পর্কে বাড়তি সিদ্ধান্তের জন্য একা ব্যবহার করা ঠিক নয়। কারণ পরের বর্ণনায় আনাস (রাঃ)-এর বক্তব্যে দুর্বলতার কারণে অপছন্দের কথা এসেছে। তাই সাওমে শিঙ্গা লাগানোর প্রসঙ্গে হাদিসের মূল পাঠ, শরীরের অবস্থা এবং সতর্কতা—সব দিক বুঝে কথা বলা দরকার। এখানে মূল কীওয়ার্ড হলো রোজা অবস্থায় হিজামা বা শিঙ্গা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজি (صلى الله عليه وسلم) সায়েম অবস্থায় শিঙ্গা লাগিয়েছেন বলে হাদিসে এসেছে।
  • ছোট বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত সিদ্ধান্ত বানানো ঠিক নয়।
  • সাওমে শরীর দুর্বল হলে সতর্ক থাকা দরকার।
  • সম্পর্কিত বর্ণনাগুলো মিলিয়ে বিষয়টি বোঝা ভালো।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন