৩০/৪৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৫৪ - সূর্যাস্তের পর ইফতারের সময়
সায়িমের জন্য কখন ইফতার করা বৈধ।
وَأَفْطَرَ أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيُّ حِينَ غَابَ قُرْصُ الشَّمْسِসূর্যের গোলাকার বৃত্ত অদৃশ্য হওয়ার সাথে সাথেই আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) ইফতার করতেন।"
ইফতারের সময়: রাত আসা, দিন যাওয়া ও সূর্য ডোবার নির্দেশনা
সহীহ বুখারী : ১৯৫৪
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৯৫৪
حَدَّثَنَا الْحُمَيْدِيُّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ قَالَ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ سَمِعْتُ عَاصِمَ بْنَ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ إِذَا أَقْبَلَ اللَّيْلُ مِنْ هَا هُنَا وَأَدْبَرَ النَّهَارُ مِنْ هَا هُنَا وَغَرَبَتْ الشَّمْسُ فَقَدْ أَفْطَرَ الصَّائِمُ
উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যখন রাত্র সে দিক হতে ঘনিয়ে আসে ও দিন এ দিক হতে চলে যায় এবং সূর্য ডুবে যায়, তখন সায়িম ইফতার করবে।
সহীহ বুখারী হাদিস ১৯৫৪-এর সারসংক্ষেপ
মূল বিষয়: ইফতার সময়। এই হাদিসে আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه وسلم ইফতারের সময়কে তিনটি চিহ্ন দিয়ে বুঝিয়েছেন—রাত এক দিক থেকে ঘনিয়ে আসে, দিন অন্য দিক থেকে চলে যায় এবং সূর্য ডুবে যায়। তখন সায়েম ইফতার করবে। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু রোজাদারের জন্য দরকারি। এতে বোঝা যায়, ইফতারের সময় অনুমানের ওপর নয়; সূর্যাস্ত ও রাতের আগমনের সঙ্গে জড়িত। রোজার ইফতার, সূর্যাস্ত, রাতের আগমন এবং সাওম ভঙ্গের সময়—সবকিছু এখানে সহজ ভাষায় এসেছে। হাদিসটির শিক্ষা হলো, সময় হলে ইফতার করতে হবে এবং দেরি করাকে আলাদা ইবাদত মনে করার দরকার নেই।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সূর্য ডুবে গেলে ইফতারের সময় হয়।
- রাতের আগমন ও দিনের চলে যাওয়া ইফতারের চিহ্ন।
- ইফতারের সময় স্পষ্ট হলে সাওম ভঙ্গ করা উচিত।
- রোজার সময়ের ব্যাপারে নবী صلى الله عليه وسلم পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছেন।
