৩৩/৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২০৩০ - হায়েজ অবস্থায় স্বাভাবিক মেলামেশা
ইতিকাফকারীর গোসল করা।
হায়েজ অবস্থায় স্বাভাবিক মেলামেশা সম্পর্কে হাদিস
সহীহ বুখারী : ২০৩০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২০৩০
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنِ الأَسْوَدِ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ قَالَتْ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُبَاشِرُنِي وَأَنَا حَائِضٌ. وَكَانَ يُخْرِجُ رَأْسَهُ مِنَ الْمَسْجِدِ وَهْوَ مُعْتَكِفٌ فَأَغْسِلُهُ وَأَنَا حَائِضٌ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) আমার ঋতুবতী অবস্থায় আমার সঙ্গে (প্রাকৃতিক) প্রয়োজনে মিশতেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ২০৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়েশা (রাঃ) নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর ঘরোয়া আচরণের একটি বিষয় বলেছেন। তিনি বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁর হায়েজ অবস্থায় তাঁর সঙ্গে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে মিশতেন। অনুবাদে বিষয়টি সংক্ষেপে এসেছে, তাই ব্যাখ্যাতেও সীমা রাখা জরুরি। হাদিসটি দেখায়, হায়েজ অবস্থাকে মানুষের প্রতি অমানবিক দূরত্ব তৈরির কারণ বানানো হয়নি। নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আচরণ ছিল স্বাভাবিক, কোমল ও বাস্তব জীবনঘনিষ্ঠ। যারা হায়েজ অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে আচরণ, হায়েজ সম্পর্কে হাদিস, আয়েশা রাঃ-এর বর্ণনা—এসব খোঁজেন, তাদের জন্য এই হাদিস গুরুত্বপূর্ণ। তবে এখানে ইতিকাফের বিস্তারিত নিয়ম বা দাম্পত্য সম্পর্কের সব বিধান নেই। তাই এই হাদিস থেকে শুধু যতটুকু সরাসরি বলা হয়েছে, ততটুকুই শিক্ষা নেওয়া উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হায়েজ অবস্থায় আয়েশা (রাঃ)-এর সঙ্গে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর স্বাভাবিক আচরণের কথা এসেছে।
- হায়েজ অবস্থাকে অমানবিক দূরত্বের কারণ বানানোর শিক্ষা নেই।
- হাদিসের সংক্ষিপ্ত কথাকে অতিরিক্ত বাড়িয়ে বলা উচিত নয়।
- পারিবারিক জীবনে নম্র ও স্বাভাবিক আচরণের দিক দেখা যায়।
