৫৪/১. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ২৭১৫ - সালাত, যাকাত ও মুসলিমের কল্যাণ
ইসলামে আহকামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়েয।
সালাত, যাকাত ও নসীহত: জারীর রাঃ-এর বায়আত
সহীহ বুখারী : ২৭১৫
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৭১৫
حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنْ إِسْمَاعِيلَ، قَالَ حَدَّثَنِي قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ جَرِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ بَايَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ عَلَى إِقَامِ الصَّلاَةِ وَإِيتَاءِ الزَّكَاةِ وَالنُّصْحِ لِكُلِّ مُسْلِمٍ.
জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি সালাত কায়িম করার, যাকাত প্রদান করার এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনা করার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট বাই‘আত করেছি।
সহীহ বুখারী হাদিস ২৭১৫-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জারীর ইবনু আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর কাছে তিনটি বিষয়ে বায়আত করেছেন: সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা এবং প্রত্যেক মুসলিমের জন্য কল্যাণ কামনা করা। এখানে ইবাদত ও সামাজিক আচরণ একসঙ্গে এসেছে। সালাত আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ককে শক্ত করে, যাকাত মানুষের আর্থিক দায়িত্বকে প্রকাশ করে, আর মুসলিমের কল্যাণ কামনা সমাজে আন্তরিকতা গড়ে তোলে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, দ্বীন শুধু ব্যক্তিগত আমল নয়; এতে অন্যের জন্য ভালো চাওয়াও আছে। মূল পাঠের ভিত্তিতে বলা যায়, এই তিনটি বিষয় বায়আতের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ছিল এবং একজন মুসলিমের জীবনে এগুলোর ভারসাম্য দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সালাত কায়েম করা মুসলিম জীবনের মূল দায়িত্ব।
- যাকাত প্রদান আর্থিক দায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- প্রত্যেক মুসলিমের কল্যাণ কামনা সামাজিক দায়িত্ব।
- ইবাদত ও ভালো আচরণ—দুটিই দ্বীনের অংশ।
