২/২৬. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৩৫ - কদরের রাতে ইবাদতের ফজিলত

লাইলাতুল কদরে ইবাদতে রাত্রিজাগরণ ঈমানের শামিল।

লাইলাতুল কদরের ইবাদত: ঈমান ও নেকির আশার হাদিস

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৫

حَدَّثَنَا أَبُو الْيَمَانِ، قَالَ أَخْبَرَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ «مَنْ يَقُمْ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ».

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আল্লাহর রাসূল (ﷺ) এরশাদ করেনঃ যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে নেকির আশায় কদরের রাতে ইবাদতের মধ্যে রাত্রি জাগবে, তার পূর্বের গুনাহ্‌ ক্ষমা করে দেয়া হবে।

সহীহ বুখারী হাদিস ৩৫-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং নেকির আশা নিয়ে কদরের রাতে ইবাদতে দাঁড়াবে, তার পূর্বের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। এখানে দুটি বিষয় খুব গুরুত্বপূর্ণ: ঈমান এবং ইহতিসাব বা নেকির আশা। অর্থাৎ শুধু রাত জাগা নয়; অন্তরে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস এবং সওয়াবের আশা থাকতে হবে। লাইলাতুল কদর মুসলিমের জন্য বিশেষ রাত, কিন্তু এই হাদিস আমলের ভেতরের উদ্দেশ্যকেও সামনে আনে। তাই কদরের রাতের ইবাদত হওয়া উচিত খাঁটি বিশ্বাস, আশা এবং আল্লাহর দিকে ফিরে যাওয়ার মানসিকতা নিয়ে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • কদরের রাতে ইবাদত বড় ফজিলতের আমল।
  • ইবাদতের সঙ্গে ঈমান ও নেকির আশা থাকা জরুরি।
  • গুনাহ ক্ষমার আশায় আল্লাহর কাছে ফিরে আসা উচিত।
  • রাত জাগার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন