৬৫/২৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৫০১ - আশুরার সাওমের বিধান ও রমযানের ফরজ সাওম
আশুরার সাওম: রমযান ফরজ হওয়ার পর এর বিধান কী
সহীহ বুখারী : ৪৫০১
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৫০১
مُسَدَّدٌ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ عُبَيْدِ اللهِ قَالَ أَخْبَرَنِيْ نَافِعٌ عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ كَانَ عَاشُوْرَاءُ يَصُوْمُهُ أَهْلُ الْجَاهِلِيَّةِ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ قَالَ مَنْ شَاءَ صَامَهُ وَمَنْ شَاءَ لَمْ يَصُمْهُ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জাহিলী যুগের লোকেরা আশুরার সাওম পালন করত। এরপর যখন রমজানের সাওমের বিধান অবতীর্ণ হল, তখন নবী (ﷺ) বললেন, যার ইচ্ছা সে আশুরার সাওম পালন করবে আর যার ইচ্ছা সে তার সাওম পালন করবে না।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৫০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় আশুরার সাওম। ইবনু উমর (রাঃ) জানিয়েছেন, জাহিলি যুগের লোকেরাও আশুরার সাওম পালন করত। এরপর যখন রমযানের সাওমের বিধান অবতীর্ণ হলো, তখন নবী (صلى الله عليه وسلم) বললেন, যার ইচ্ছা সে আশুরার সাওম রাখবে, আর যার ইচ্ছা সে রাখবে না। তাই এই বর্ণনা থেকে সরাসরি বোঝা যায়, রমযানের সাওম ফরজ হওয়ার পর আশুরার সাওম বাধ্যতামূলক রইল না। এখানে রমযানের সাওমের গুরুত্বও ফুটে ওঠে, কারণ ফরজ বিধান আসার পর আগের আমলের অবস্থান বদলে যায়। আশুরার রোজা সম্পর্কিত সার্চে মানুষ সাধারণত জানতে চায়, এটি রাখা জরুরি কি না; এই হাদিস সেই প্রশ্নের পরিষ্কার উত্তর দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানের সাওম ফরজ হওয়ার পর আশুরার সাওম ইচ্ছাধীন হয়ে যায়।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) স্পষ্টভাবে বলেছেন, চাইলে আশুরার সাওম রাখা যায়, চাইলে না রাখাও যায়।
- ফরজ সাওমের স্থান আলাদা; রমযানের বিধান আসার পর সেটিই প্রধান হয়ে যায়।
- ধর্মীয় আমলে বিধানের পরিবর্তন হলে তা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর নির্দেশ অনুযায়ী বুঝতে হয়।
