৬৫/৩০. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৫০২ - আশুরার সাওম ও রমযানের বিধান
আশুরার সাওমের বিধান: রমযানের আগে ও পরে
সহীহ বুখারী : ৪৫০২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৫০২
عَبْدُ اللهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عُرْوَةَ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا كَانَ عَاشُوْرَاءُ يُصَامُ قَبْلَ رَمَضَانَ فَلَمَّا نَزَلَ رَمَضَانُ قَالَ مَنْ شَاءَ صَامَ وَمَنْ شَاءَ أَفْطَرَ.
'আয়িশাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রমজানের সাওমের (আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার) পূর্বে আশুরার সাওম পালন করা হত। এরপর যখন রমজানের (সম্পর্কিত বিধান) অবতীর্ণ হল, তখন নবী (ﷺ) বললেন, যে ইচ্ছা করে (আশুরার) সাওম পালন করবে, আর যে চায় সে সাওম পালন করবে না।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৫০২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) আশুরার সাওমের অবস্থান খুব সহজভাবে বলেছেন। রমযানের সাওমের আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার আগে আশুরার সাওম পালন করা হতো। এরপর রমযানের বিধান নাজিল হলে নবী (صلى الله عليه وسلم) বললেন, যে চায় সে আশুরার সাওম পালন করবে, আর যে চায় সে সাওম পালন করবে না। এখানে মূল শিক্ষা হলো, রমযানের সাওম ফরজ হওয়ার পর আশুরার সাওম আর বাধ্যতামূলক রইল না। তবে কেউ চাইলে পালন করতে পারে। আশুরার রোজা নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই হাদিস খুব সরল উত্তর দেয়। এতে রমযানের ফরজ সাওমের গুরুত্ব এবং আশুরার সাওমের ইচ্ছাধীন অবস্থান দুটোই স্পষ্ট হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমযানের আগে আশুরার সাওম পালন করা হতো।
- রমযানের বিধান নাজিলের পর আশুরার সাওম রাখা বাধ্যতামূলক থাকেনি।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) আশুরার সাওমের ব্যাপারে মানুষের ইচ্ছার সুযোগ রেখেছেন।
- একটি আমলের বিধান বুঝতে সংশ্লিষ্ট হাদিসের ভাষা মনোযোগ দিয়ে দেখা দরকার।
