৬৫/২৮৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৮২০ - দুখান ও পাঁচ নিদর্শনের শিক্ষা
অতএব, তুমি অপেক্ষা কর সেদিনের, যেদিন ধূম্রাচ্ছন্ন হবে আকাশ। (সূরা আদ-দুখান ৪৪/১০)
দুখান হাদিস: পাঁচ নিদর্শন ও আল্লাহর সতর্কতা
সহীহ বুখারী : ৪৮২০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৮২০
عَبْدَانُ عَنْ أَبِيْ حَمْزَةَ عَنِ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ مَسْرُوْقٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ قَالَ مَضَى خَمْسٌ الدُّخَانُ وَالرُّوْمُ وَالْقَمَرُ وَالْبَطْشَةُ وَاللِّزَامُ.
‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
পাঁচটি নিদর্শনই বাস্তবায়িত হয়ে গেছে। ধোঁয়া (দুর্ভিক্ষ), রোম (পরাজয়), চন্দ্র (দ্বিখণ্ডিত হওয়া), পাকড়াও (বদর যুদ্ধে) এবং ধ্বংস।
সহীহ বুখারী হাদিস ৪৮২০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো দুখান বা ধোঁয়া-সংক্রান্ত নিদর্শন। আবদুল্লাহ (রাঃ) সংক্ষেপে বলেছেন, পাঁচটি বিষয় বাস্তবায়িত হয়ে গেছে: ধোঁয়া, রোম, চাঁদ, পাকড়াও এবং লিযাম বা ধ্বংস। এখানে হাদিসটি আমাদের সামনে বড় কোনো লম্বা ঘটনা নয়, বরং একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তুলে ধরে। তাই ব্যাখ্যাতেও সীমা রাখা দরকার। এই বর্ণনা থেকে বোঝা যায়, আল্লাহর পক্ষ থেকে সতর্কতা ও নিদর্শন শুধু কথার বিষয় নয়; তা বাস্তব ঘটনার মধ্যেও দেখা যায়। দুখান হাদিস, বদর যুদ্ধের পাকড়াও এবং চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার মতো বিষয়গুলো আল্লাহর ক্ষমতার স্মরণ করিয়ে দেয়। একজন পাঠকের জন্য মূল শিক্ষা হলো, কুরআন-হাদিসে আসা নিদর্শনকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এবং নিজের ঈমান, চিন্তা ও কাজকে ঠিক করার চেষ্টা করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আল্লাহর নিদর্শনকে হালকা করে দেখা ঠিক নয়।
- বর্ণনায় উল্লেখিত ঘটনাগুলো আল্লাহর সতর্কতার কথা মনে করায়।
- সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকেও ঈমান ও জবাবদিহির শিক্ষা নেওয়া যায়।
- আল্লাহর পাকড়াও তাঁর হিকমত অনুযায়ী আসে।
