৬৫/৩৪৯. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৪৯১১ - হালালকে হারাম করা ও কাফফারা

হে নবী! আল্লাহ আপনার জন্য যা হালাল করেছেন, আপনি তা হারাম করেছেন কেন? আপনি আপনার স্ত্রীদের খুশি করতে চাইছেন। আল্লাহ অতিশয় ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আত-তাহরীম ৬৬/১)

কসমের কাফফারা ও রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর উত্তম আদর্শ

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৯১১

مُعَاذُ بْنُ فَضَالَةَ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ يَحْيَى عَنْ ابْنِ حَكِيْمٍ هُوَ يَعْلَى بْنُ حَكِيْمٍ الثَّقَفِيُّ عَنْ سَعِيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ أَنَّ ابْنَ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ فِي الْحَرَامِ يُكَفَّرُ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ﴾لَقَدْ كَانَ لَكُمْ فِيْ رَسُوْلِ اللهِ إِسْوَةٌ حَسَنَةٌ﴿.

ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

এরূপ হারাম করে নেয়া হলে কাফ্‌ফারা দিতে হবে। ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) এ-ও বলেছেন যে, “রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর মাঝে রয়েছে তোমাদের জন্য উত্তম আদর্শ।”

সহীহ বুখারী হাদিস ৪৯১১-এর সারসংক্ষেপ

এই ছোট হাদিসে ইবন আব্বাস (রাঃ)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা এসেছে। তিনি বলেছেন, কেউ কোনো বিষয় নিজের জন্য হারাম করে নিলে কাফফারা দিতে হবে। এরপর তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আদর্শের কথা উল্লেখ করেছেন: তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসূলের মাঝে উত্তম আদর্শ রয়েছে। হাদিসের ভাষা সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাও এই সীমার মধ্যেই রাখা উচিত। এখানে মূল শিক্ষা হলো, মানুষ নিজের আবেগ, অভিমান বা কোনো পরিস্থিতির কারণে কোনো হালাল বিষয়কে নিজের ওপর হারাম করে বলতে পারে; কিন্তু শরিয়তের নিয়মকে গুরুত্ব দিতে হবে। কসমের কাফফারা, হালাল-হারাম এবং নবী صلى الله عليه وسلم-এর আদর্শ—এই তিনটি বিষয় এখানে একসাথে বোঝা যায়।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নিজের কথায় হালাল বিষয় হারাম করে নেওয়া হালকা বিষয় নয়।
  • এ ধরনের অবস্থায় কাফফারার কথা এসেছে।
  • রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর আদর্শ মুসলিম জীবনের পথ দেখায়।
  • শরিয়তের বিধানকে ব্যক্তিগত আবেগের ওপরে রাখতে হয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন