৬৫/৩৪৮. অধ্যায়ঃ
পরিচ্ছেদ নাই।
সহিহ বুখারী : ৪৯১০
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৯১০
وَقَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ وَأَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ أَيُّوْبَ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ كُنْتُ فِيْ حَلْقَةٍ فِيْهَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِيْ لَيْلَى وَكَانَ أَصْحَابُهُ يُعَظِّمُوْنَهُ فَذَكَرُوْا لَهُ فَذَكَرَ آخِرَ الْأَجَلَيْنِ فَحَدَّثْتُ بِحَدِيْثِ سُبَيْعَةَ بِنْتِ الْحَارِثِ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ قَالَ فَضَمَّزَ لِيْ بَعْضُ أَصْحَابِهِ قَالَ مُحَمَّدٌ فَفَطِنْتُ لَهُ فَقُلْتُ إِنِّيْ إِذًا لَجَرِيْءٌ إِنْ كَذَبْتُ عَلَى عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ وَهُوَ فِيْ نَاحِيَةِ الْكُوْفَةِ فَاسْتَحْيَا وَقَالَ لَكِنْ عَمُّهُ لَمْ يَقُلْ ذَاكَ فَلَقِيْتُ أَبَا عَطِيَّةَ مَالِكَ بْنَ عَامِرٍ فَسَأَلْتُهُ فَذَهَبَ يُحَدِّثُنِيْ حَدِيْثَ سُبَيْعَةَ فَقُلْتُ هَلْ سَمِعْتَ عَنْ عَبْدِ اللهِ فِيْهَا شَيْئًا فَقَالَ كُنَّا عِنْدَ عَبْدِ اللهِ فَقَالَ أَتَجْعَلُوْنَ عَلَيْهَا التَّغْلِيْظَ وَلَا تَجْعَلُوْنَ عَلَيْهَا الرُّخْصَةَ لَنَزَلَتْ سُوْرَةُ النِّسَاءِ الْقُصْرَى بَعْدَ الطُّوْلَى (وَأُولَاتُ الْأَحْمَالِ أَجَلُهُنَّ أَنْ يَّضَعْنَ حَمْلَهُنَّ).>
মুহাম্মাদ ইবনু সিরীন (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
(অন্য এক সানাদে) সুলায়মান ইবনু হারব (রহঃ) ও আবু নু'মান, হাম্মাদ ইবনু যায়দ ও আইয়ুবের মাধ্যমে মুহাম্মাদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। আমি ঐ মজলিসে ছিলাম, যেখানে আবদুর রহমান ইবনু আবু লাইলা (রহঃ)-ও হাজির ছিলেন। তাঁর সাথীরা তাঁকে খুব সম্মান করতেন। তিনি ইদ্দত সম্পর্কিত হুকুম দু’টি থেকে দীর্ঘ সময় সাপেক্ষ হুকুমটির কথা উল্লেখ করলে আমি আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রহঃ)র বরাত দিয়ে সুবাইআ বিনত হারিছ (রাঃ) সম্পর্কে হাদিসটি বর্ণনা করলাম। মুহাম্মাদ ইবনু সিরীন (রহঃ) বলেন, এতে তাঁর কতক সাথী আমাকে থামিয়ে দিল। আমি বুঝলাম, তারা আমার হাদিসটি অস্বীকার করছে।তাই আমি বললাম, আবদুল্লাহ ইবনু উতবা (রহঃ) কুফায় এখনও জীবিত আছেন, এমতাবস্থায় যদি আমি তাঁর নাম নিয়ে মিথ্যা কথা বলি, তাহলে এতে আমার চরম দুঃসাহসিকতা দেখানো হবে। এ কথা শুনে আবদুর রহমান ইবনু আবু লাইলা লজ্জিত হলেন এবং বললেন, কিন্তু তার চাচা তো এ হাদীস বর্ণনা করেননি। তখন আমি আবু আতিয়া মালিক ইবনু আমির (রহঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি সুবাইআ (রাঃ)-এর হাদিসটি বর্ণনা করে আমাকে শোনাতে লাগলেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম, (এ বিষয়ে) আপনি আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে কোন কথা শুনেছেন কি? তিনি বললেন, আমরা আব্দুল্লাহ (রাঃ)-এর সাথে ছিলাম। তখন তিনি বললেন, তোমরা কি এ সকল মহিলাদের ব্যাপারে সহজ পন্থা ছেড়ে কঠোর পন্থা গ্রহণ করতে চাও? সূরা নিসা আল কুসরা এরপরে অবতীর্ণ হয়েছে। আল্লাহ বলেন, গর্ভবতী নারীদের ইদ্দতকাল সন্তান প্রসব পর্যন্ত।
(৪৫৩২; মুসলিম ১৮/৮, হাঃ ১৪৮৫) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৫৪১, ই.ফা, ৪৫৪৫)
