১০/৩৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৬৬২ - মসজিদে যাওয়ার জান্নাতি সম্মান
সকাল-সন্ধ্যায় মসজিদে যাবার ফজিলত।
মসজিদে যাওয়ার ফজিলত: জান্নাতে মেহমানদারীর সুসংবাদ
সহীহ বুখারী : ৬৬২
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৬২
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالَ أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُطَرِّفٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ «مَنْ غَدَا إِلَى الْمَسْجِدِ وَرَاحَ أَعَدَّ اللَّهُ لَهُ نُزُلَهُ مِنَ الْجَنَّةِ كُلَّمَا غَدَا أَوْ رَاحَ ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যায়, আল্লাহ তা‘আলা তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমানদারীর ব্যবস্থা করে রাখেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৬৬২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে মসজিদে যাওয়ার ফজিলত খুব সহজ ভাষায় এসেছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকালে বা সন্ধ্যায় যতবার মসজিদে যায়, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে ততবার মেহমানদারীর ব্যবস্থা করেন। এখানে মূল বিষয় হলো মসজিদের প্রতি ভালোবাসা, সালাতের জন্য যাওয়া এবং আল্লাহর ঘরের সাথে সম্পর্ক রাখা। হাদিসের ভাষা আশা জাগানো, কিন্তু তা নির্দিষ্ট আমলের সাথে যুক্ত—মসজিদে যাওয়া। তাই ব্যাখ্যার সময় এটিকে সাধারণভাবে “যেকোনো কাজ করলেই জান্নাত নিশ্চিত” বলা ঠিক নয়। বরং বলা যায়, মসজিদে নিয়মিত যাওয়া আল্লাহর রহমত ও জান্নাতি সম্মানের কারণ হতে পারে। যারা মসজিদে যাওয়ার হাদিস বা জামাআতের ফজিলত জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুবই প্রাসঙ্গিক।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মসজিদে যাওয়া আল্লাহর কাছে মর্যাদাপূর্ণ আমল।
- সকাল-সন্ধ্যায় মসজিদমুখী হওয়া ঈমানি অভ্যাস গড়ে তোলে।
- জান্নাতের মেহমানদারীর সুসংবাদ এই আমলের প্রতি আগ্রহ বাড়ায়।
- নিয়মিত মসজিদে যাওয়া জামাআতের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করে।
