৩/১১. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৬৮ - বিরক্তি ছাড়াই নাসিহতের আদব

লোকজন যাতে বিরক্ত না হয়ে পড়ে সে জন্য আল্লাহর রাসূল (ﷺ) নসীহতে ও ইলম শিক্ষাদানে উপযুক্ত সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতেন।

নাসিহত করার আদব: মানুষকে বিরক্ত না করে দ্বীন শেখানো

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৮

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، قَالَ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ ﷺ يَتَخَوَّلُنَا بِالْمَوْعِظَةِ فِي الأَيَّامِ، كَرَاهَةَ السَّآمَةِ عَلَيْنَا.

ইবনে মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) আমাদের অবস্থার প্রতি লক্ষ্য রেখে নির্দিষ্ট দিনে নাসীহাত করতেন, আমরা যাতে বিরক্ত বোধ না করি।

সহীহ বুখারী হাদিস ৬৮-এর সারসংক্ষেপ

এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে নাসিহত করার সুন্দর পদ্ধতি বলা হয়েছে। ইবন মাসউদ (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) আমাদের অবস্থার দিকে খেয়াল রেখে নির্দিষ্ট দিনে নাসিহত করতেন, যাতে আমরা বিরক্ত বোধ না করি। এখানে মূল শিক্ষা হলো, কথা ভালো হলেও সময়, পরিমাণ ও মানুষের অবস্থা দেখা দরকার। প্রতিদিন বেশি কথা বললেই মানুষের উপকার বেশি হবে—এমন কথা এই হাদিসে বলা হয়নি। বরং নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর পদ্ধতি ছিল মানুষের মন যেন ক্লান্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা। “নাসিহত করার আদব” এবং “সহজভাবে দ্বীন শেখানো” বিষয়ে এই হাদিস খুব দরকারি। শিক্ষক, বক্তা বা পরিবারের বড় কেউ—যে-ই উপদেশ দেবেন, শ্রোতার মন ও ক্লান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রাখা ভালো। তাই পাঠকের জন্য নিরাপদ পথ হলো, হাদিসের মূল ঘটনা ও স্পষ্ট বাক্যের সীমা ধরে শিক্ষা নেওয়া।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নাসিহতের সময় মানুষের অবস্থা খেয়াল রাখা দরকার।
  • ভালো কথা বললেও শ্রোতাকে ক্লান্ত করা উচিত নয়।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) নির্দিষ্ট দিনে উপদেশ দিতেন।
  • শিক্ষাদানে ভারসাম্য রাখা একটি নববী পদ্ধতি।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন