৮/৪. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১০৪১ - দাওয়াত গ্রহণ ও রোজাদারের আদব
ওয়ালিমাহ - রোযাদারের ওয়ালিমার দাওয়াতের সম্মতিদান এবং ভক্ষণ করা
দাওয়াত গ্রহণের আদব: রোজাদার হলে দোয়া, না হলে খাবার
বুলুগুল মারাম : ১০৪১
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১০৪১
وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ: «إِذَا دُعِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ; فَإِنْ كَانَ صَائِمًا فَلْيُصَلِّ, وَإِنْ كَانَ مُفْطِرًا فَلْيُطْعَمْ». أَخْرَجَهُ مُسْلِمٌ أَيْضًا
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ দাওয়াত প্রাপ্ত (আমন্ত্রিত) হবে, সে যেন তা গ্রহণ করে। যদি আমন্ত্রিত ব্যক্তি রোজাদার হয় তবে সে তার জন্য দোয়া করবে। আর যদি রোজাদার না হয় তবে যেন সে খানা খায়। [১১৩৯]
[১১৩৯] মুসলিম ১৪৩১, তিরমিযী ৭৮০, আবূ দাঊদ ২৪৬০, আহমাদ ৭৬৯১, ১০২০৭।
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
বুলুগুল মারাম হাদিস ১০৪১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে দাওয়াত গ্রহণের আদব খুব সহজভাবে শেখানো হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, কেউ দাওয়াত পেলে সে যেন তা গ্রহণ করে। অর্থাৎ মুসলিম সমাজে সম্পর্ক ভালো রাখা, মানুষের আহ্বানে সাড়া দেওয়া এবং সামাজিক বন্ধন রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। তবে দাওয়াতে গিয়ে সবাই একই অবস্থায় থাকে না। কেউ রোজাদার হতে পারে, আবার কেউ রোজাদার নাও হতে পারে। হাদিসে বলা হয়েছে, রোজাদার হলে সে দাওয়াতদাতার জন্য দোয়া করবে। আর রোজাদার না হলে খাবার খাবে। এতে বোঝা যায়, দাওয়াত মানে শুধু খাওয়া নয়; বরং ভালো ব্যবহার, দোয়া এবং মানুষের আনন্দে অংশ নেওয়াও দাওয়াতের অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দাওয়াত পেলে তা গ্রহণ করা ভালো সামাজিক আদব।
- রোজাদার ব্যক্তি দাওয়াতে গিয়ে দাওয়াতদাতার জন্য দোয়া করতে পারে।
- রোজা না থাকলে দাওয়াতে খাবার গ্রহণ করা সুন্দর আচরণ।
