৮/৪. অধ্যায়ঃ

বুলুগুল মারাম হাদিস ১০৪২ - দাওয়াতে খাওয়া বা না খাওয়ার সুযোগ

ওয়ালিমাহ - রোযাদারের ওয়ালিমার দাওয়াতের সম্মতিদান এবং ভক্ষণ করা

দাওয়াতে খাওয়া বা না খাওয়া: ইসলামের সহজ দিকনির্দেশনা

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১০৪২

وَلَهُ مِنْ حَدِيثِ جَابِرٍ نَحْوُهُ. وَقَالَ: فَإِنْ شَاءَ طَعِمَ وَإِنْ شَاءَ تَرَكَ

মুসলিমে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

অনুরূপ হাদীস বর্ণিত হয়েছে; তাতে আছে- ইচ্ছা হলে খাবে নতুবা খাওয়া বর্জন করবে। [১১৪০]

[১১৪০] মুসলিম ১৪৩০, আবূ দাঊদ ৩৭৪০, ইবনু মাজাহ ১৭৫১, আহমাদ ১৪৯৭৯।

অনুবাদের উৎস

সংকলক:
শিহাবুদ্দীন আহমাদ বিন আলী বিন মুহাম্মাদ বিন আলী বিন মাহমুদ বিন আহমাদ বিন হাজার বিন আহমাদ আল আসকালানী আল কিনানী
প্রকাশক:
তাওহীদ পাবলিকেশন্স
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

বুলুগুল মারাম হাদিস ১০৪২-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে দাওয়াতের আদবের আরেকটি সহজ দিক এসেছে। অনুরূপ বর্ণনায় বলা হয়েছে, দাওয়াতে গেলে চাইলে খাবে, আর চাইলে খাওয়া বর্জন করবে। এটি দাওয়াত গ্রহণের বিষয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ শিক্ষা দেয়। কেউ দাওয়াতে গেলেই যে তাকে অবশ্যই খেতে হবে, এমন চাপ এখানে দেওয়া হয়নি। মানুষের অবস্থা ভিন্ন হতে পারে—রোজা, অসুস্থতা, খাবারের ইচ্ছা না থাকা বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য কারণ থাকতে পারে। তাই দাওয়াতে উপস্থিত হওয়া, সম্পর্ক রাখা এবং সম্মান দেখানো গুরুত্বপূর্ণ। খাবার গ্রহণ করা ভালো, তবে না খেলেও ভদ্রতা ও ভালো আচরণ বজায় রাখতে হবে। এই হাদিস দাওয়াতের আদবকে সহজ ও মানবিক করে তুলে ধরে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • দাওয়াতে গেলে খাওয়া বা না খাওয়ার সুযোগ থাকতে পারে।
  • দাওয়াতের মূল উদ্দেশ্য সম্পর্ক ও সম্মান রক্ষা করা।
  • খাবার না খেলেও ভালো আচরণ বজায় রাখা উচিত।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন