১২/০. অধ্যায়ঃ
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩৩০ - গুইসাপ বা গোসাপ খাওয়ার প্রসঙ্গ
দব্বের গোশতের বৈধতা
গুইসাপ খাওয়ার বিধান: রাসূলুল্লাহর দস্তরখানের ঘটনা
বুলুগুল মারাম : ১৩৩০
বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩৩০
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا قَالَ: أُكِلَ الضَّبُّ عَلَى مَائِدَةِ رَسُولُ اللَّهِ - ﷺ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এ দস্তর খানের উপর গুইসাপ (গোহ্) খাওয়া হয়েছে। [১৪৩৭]
[১৪৩৭] বুখারীতে রয়েছে, ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন (আরবী) হারিস ইব্নু হাযনের মেয়ে উম্মু হুফায়দ (রাঃ) নাবী (ﷺ)-এর জন্য ঘি, পনির এবং কতগুলো দব্ব হাদিয়া পাঠালেন। নাবী (ﷺ) ওগুলো চেয়ে নিলেন এবং এগুলো তাঁর দস্তরখানে খাওয়া হল। নাবী (ﷺ) ঘৃণার কারণে খেতে অপছন্দ করলেন। ওগুলো হারাম হলে তাঁর দস্তরখানে তা খাওয়া হত না এবং তিনিও এগুলো খেতে অনুমতি দিতেন না।বুখারী ২৫৭৫, ৫৩৮৯, ৫৪০২, মুসলিম ১৯৪৭, নাসায়ী ৪৩১৯, আবূ দাঊদ ৩৭৯৩, আহমাদ ২২৯৯, ২৩৫০, ২৫৬৫।
বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩৩০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দস্তরখানে গুইসাপ বা গোহ খাওয়া হয়েছে। এখানে বর্ণনাটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু খাদ্য বিধানের আলোচনায় তা গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে সরাসরি বলা হয়নি যে নবীজি নিজে খেয়েছেন; বরং তাঁর দস্তরখানে খাওয়া হয়েছে। তাই ব্যাখ্যার সময় এই ভাষার সীমা মানা দরকার। মূল শিক্ষা হলো, গুইসাপ সম্পর্কে সাহাবীদের একটি বাস্তব খাবার-ঘটনা নবীজির সামনে বা তাঁর দস্তরখানের সঙ্গে যুক্ত অবস্থায় এসেছে। খাদ্য বিষয়ে কোনো প্রাণী নিয়ে আলোচনা করলে এমন নির্দিষ্ট বর্ণনার ভাষা ঠিকভাবে বোঝা জরুরি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রাসূলুল্লাহর দস্তরখানে গুইসাপ খাওয়ার ঘটনা এসেছে।
- হাদিসের ভাষা যেমন আছে, ব্যাখ্যাও সেই সীমায় রাখা দরকার।
- খাদ্য বিষয়ে নির্দিষ্ট বর্ণনা গুরুত্ব রাখে।
