১২/০. অধ্যায়ঃ

বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৯ - ঘোড়ার গোশত খাওয়ার প্রমাণ

ঘোড়ার গোশতের বৈধতা

ঘোড়ার গোশত খাওয়ার বিধান: আসমা (রাঃ)-এর বর্ণনা

বুলুগুল মারামহাদিস নম্বর ১৩২৯

وَعَنْ أَسْمَاءِ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - قَالَتْ: نَحَرْنَا عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - ﷺ - فَرَسًا, فَأَكَلْنَاهُ. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ

আসমা বিনতু আবূ বাক্‌র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর যুগে ঘোড়া নাহর (যাবাহ) করেছিলাম ও এর গোশত খেয়েছিলাম। [১৪৩৬]

[১৪৩৬] বুখারী ৫৫১১, ৫৫১২, মুসলিম ১৯৪২, নাসায়ী ৪৪২১, ইবনু মাজাহ ৩১৯০, আহমাদ ২৬৩৭৯, ২৬৩৯০, দারেমী ১৯৯২।

বুলুগুল মারাম হাদিস ১৩২৯-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আসমা বিনতু আবী বকর (রাঃ) নবীজির যুগের একটি ঘটনা বলেছেন। তিনি জানান, তাঁরা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর যুগে একটি ঘোড়া নাহর বা যবাহ করেছিলেন এবং তার গোশত খেয়েছিলেন। এই বর্ণনা ঘোড়ার গোশত খাওয়ার বৈধতা বোঝার ক্ষেত্রে সরাসরি প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এখানে যুদ্ধের ঘটনা বা অন্য কোনো বাড়তি শর্ত বলা হয়নি; মূল কথা হলো, নবীজির যুগে ঘোড়া যবেহ করে খাওয়া হয়েছে। খাদ্য বিষয়ে সাহাবীদের এ ধরনের আমল নববী যুগের অনুমোদিত বাস্তবতা বুঝতে সাহায্য করে। তবে ব্যাখ্যায় শুধু এতটুকুই বলা নিরাপদ যে, এই হাদিসে ঘোড়ার গোশত খাওয়ার প্রমাণ এসেছে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • নবীজির যুগে ঘোড়া যবেহ করে খাওয়ার ঘটনা এসেছে।
  • ঘোড়ার গোশত সম্পর্কে বৈধতার প্রমাণ এই বর্ণনায় পাওয়া যায়।
  • সাহাবীদের আমল খাদ্য বিধান বুঝতে সহায়ক।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন