৪/২০. অধ্যায়ঃ
আমলের রক্ষণাবেক্ষণ
আল্লাহ তাআলা বলেন,(আরবি)অর্থাৎ, যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে তাদের সময় কি আসেনি যে, আল্লাহর স্মরণে এবং যে সত্য অবতীর্ণ হয়েছে তাতে তাদের হৃদয় ভক্তি-বিগলিত হবে? এবং পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের মত তারা হবে না? বহুকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়েছিল। (সূরা হাদীদ ১৬ আয়াত)তিনি আরো বলেন, (আরবি)অর্থাৎ, অতঃপর আমি তাদের অনুগামী করেছিলাম আমার রসূলগণকে এবং অনুগামী করেছিলাম মরিয়্যাম তনয় ঈসাকে আর তাকে দিয়েছিলাম ইঞ্জীল এবং তার অনুসারীদের অন্তরে দিয়েছিলাম করুণা ও দয়া; কিন্তু সন্ন্যাসবাদ এটা তো তারা নিজেরা প্রবর্তন করেছিল, আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের বিধান ছাড়া আমি তাদেরকে এর (সন্ন্যাসবাদ) বিধান দিইনি, অথচ এটাও তারা যথাযথভাবে পালন করেনি। (সূরা হাদীদ ২৭ আয়াত)তিনি আরো বলেন,(আরবি)অর্থাৎ তোমরা সে নারীর মত হয়ে না, যে তার সুতা মজবুত ক’রে পাকবার পর ওর পাক খুলে নষ্ট ক’রে দেয়। (সুরা নাহ্ল ৯২ আয়াত)তিনি অন্যত্র বলেছেন,(আরবি)অর্থাৎ, আর তোমার মৃত্যু উপস্থিত হওয়া পর্যন্ত তুমি তোমার প্রতিপালকের ইবাদত কর। (সূরা হিজ্র ৯৯ আয়াত)এ মর্মের অন্যতম হাদীস আয়েশা (রাঃ)-র হাদীস, “সেই আমল তাঁর নিকট প্রিয়তম ছিল, যা তার আমলকারী লাগাতার করে থাকে।” (বুখারী ৬৪৬২, মুসলিম ১৮৭০নং)
হাদিস সম্ভার : ৪৪৪
হাদিস সম্ভারহাদিস নম্বর ৪৪৪
وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ الله عَنهَا قَالَتْ : كَانَ رَسُول الله صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم إِذَا فَاتَتْهُ الصَّلاةُ مِنَ اللَّيلِ مِنْ وَجَعٍ أَوْ غَيرِهِ صَلَّى مِنَ النَّهارِ ثنْتَيْ عَشرَةَ رَكْعَةً رواه مسلم
আয়েশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
“যখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর রাতের নামায কোন ব্যথা-বেদনা অথবা অন্য কোন কারণে ছুটে যেত, তখন তিনি দিনে বার রাকআত নামায পড়ে নিতেন।” (মুসলিম ১৭৭৭নং)
