১৪/১. অধ্যায়ঃ
حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ، بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ انْطَلَقَ بِهِ أَبُوهُ يَحْمِلُهُ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ فَقَالَ اشْهَدْ أَنِّي قَدْ نَحَلْتُ النُّعْمَانَ مِنْ مَالِي كَذَا وَكَذَا. قَالَ " فَكُلَّ بَنِيكَ نَحَلْتَ مِثْلَ الَّذِي نَحَلْتَ النُّعْمَانَ " . قَالَ لاَ. قَالَ " فَأَشْهِدْ عَلَى هَذَا غَيْرِي " . قَالَ " أَلَيْسَ يَسُرُّكَ أَنْ يَكُونُوا لَكَ فِي الْبِرِّ سَوَاءً " . قَالَ بَلَى. قَالَ " فَلاَ إِذًا " .
যে, তার পিতা তাকে নিয়ে নবী (ﷺ) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, আপনি সাক্ষী থাকুন, আমি নোমানকে আমার অমুক অমুক মাল দান করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি নোমানকে যেমন দান করেছো, তোমার অন্য সকল পুত্রকেও কি তদ্রূপ দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে এ ব্যাপারে আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সাক্ষী বানাও। তিনি বলেনঃ তাদের সকলে সমভাবে তোমার সাথে সদ্ব্যবহার করলে তা কি তোমাকে আনন্দিত করবে না? তিনি বলেন, হাঁ। তিনি বলেনঃ তাহলে এরূপ করো না।
[২৩৭৫] সহীহ আল বুখারী ২৫৮৬, ২৫৮৭, ২৬৫০, মুসলিম ১৬২৩, তিরমিযী ১৩৬৭, নাসায়ী ৩৬৭২, ৩৬৭৩, ৩৬৭৪, ৩৬৭৫, ৩৬৭৬, ৩৬৭৯, ৩৬৮০, ৩৬৮১, ৩৬৮২, ৩৬৮৫, ৩৬৮৬, ৩৬৮৭, আবূ দাউদ ৩৫৪২, ৩৫৪৩, আহমাদ ১৭৮৯০, ১৭৯০২, ১৭৯১১, মুয়াত্তা মালেক ১৪৭৩, ইরওয়া ৬/৪২। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَخْبَرَاهُ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَنَّ أَبَاهُ، نَحَلَهُ غُلاَمًا وَأَنَّهُ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ يُشْهِدُهُ فَقَالَ " أَكُلَّ وَلَدِكَ نَحَلْتَ " . قَالَ لاَ. قَالَ " فَارْدُدْهُ " .
তার পিতা তাকে একটি গোলাম দান করার পর তার অনুকূলে নবী (ﷺ) কে সাক্ষী করার জন্য তাঁর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেনঃ তুমি কি তোমার সকল পুত্রকে দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি তা ফেরত নাও।
[২৩৭৬] সহীহ আল বুখারী ২৫৮৬, ২৫৮৭, ২৬৫০, মুসলিম ১৬২৩, তিরমিযী ১৩৬৭, নাসায়ী ৩৬৭২, ৩৬৭৩, ৩৬৭৪, ৩৬৭৫, ৩৬৭৬, ৩৬৭৯, ৩৬৮০, ৩৬৮১, ৩৬৮২, ৩৬৮৫, ৩৬৮৬, ৩৬৮৭, আবূ দাউদ ৩৫৪২, ৩৫৪৩, আহমাদ ১৭৮৯০, ১৭৯০২, ১৭৯১১, মুয়াত্তা মালেক ১৪৭৩, ইরওয়া ১৫৯৮। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
১৪/২. অধ্যায়ঃ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَابْنِ، عُمَرَ يَرْفَعَانِ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ قَالَ " لاَ يَحِلُّ لِلرَّجُلِ أَنْ يُعْطِيَ الْعَطِيَّةَ ثُمَّ يَرْجِعَ فِيهَا إِلاَّ الْوَالِدَ فِيمَا يُعْطِي وَلَدَهُ " .
নবী (ﷺ) বলেন, কিছু দান করার পর পুনরায় তা ফেরত নেয়া দানকারীর জন্য হালাল নয়। তবে পিতা তার পুত্রকে যা দান করে তা ফেরত নিতে পারে।
[২৩৭৭] নাসায়ী ৩৬৯০, আহমাদ ২১২০, ৪৭৯৫, ৫৪৬৯, বায়হাকী ফিস সুনান ৬/১৮০, রাওদুন নাদীর ২১৯, ইরওয়া ৬/৬৩। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ عَامِرٍ الأَحْوَلِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ ﷺ قَالَ " لاَ يَرْجِعْ أَحَدُكُمْ فِي هِبَتِهِ إِلاَّ الْوَالِدَ مِنْ وَلَدِهِ " .
নবী (ﷺ) বলেন, তোমাদের কেউ যেন তার হেবাকৃত জিনিস (দান) ফেরত না নেয়, তবে পিতা পুত্রকে প্রদত্ত হেবা ফেরত নিতে পারে।
[২৩৭৮] নাসায়ী ৩৬৮৯, আহমাদ ৬৫৯২, ৬৬৬৬, ৬৯০৪, দারাকুতনী ৩/৪৩, মিশকাত ৩০২০। তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী১. জামীল ইবনুল হাসান আল-আতাকী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী আল-জুরযানী বলেন, আনি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, আমরা তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম কিন্তু তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করিনি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মাসলামহ ইবনু কাসিম বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৬৮, ৫/১২৮ নং পৃষ্ঠা)২. আমির আল-আহওয়াল সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার রেওয়ায়াত বর্ণনায় আমি কোন অসুবিধা দেখি না। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩০৫৪, ১৪/৬৫ নং পৃষ্ঠা)
১৪/৩. অধ্যায়ঃ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ عُمْرَى فَمَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ " .
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব বলতে কিছু নেই। তবে কাউকে জীবনস্বত্ব দেয়া হলে সেটা তারই প্রাপ্য।
[২৩৭৯] মুসলিম ১৬২৬, নাসায়ী ৩৭৫২, ৩৭৫৩, আহমাদ ৯২৬১, ৯৯৭২, ইরওয়া ৬/৫০। তাহকীক আলবানী (রহঃ)ঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদীসের রাবী আবু আমর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুরায়স সম্পর্কে ইবনু হিব্বান (রহঃ) বলেন, তিনি সিকাহ তবে ইমাম যাহাবী (রহঃ) বলেন, তাঁর পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আবু হাতিম বিন হিব্বান (রহঃ) বলেন, তিনি হাদীস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী (রহঃ) বলেন, তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী (রহঃ) বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদীস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম দারাকুতনী (রহঃ) তাঁকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ يَقُولُ " مَنْ أَعْمَرَ رَجُلاً عُمْرَى لَهُ وَلِعَقِبِهِ فَقَدْ قَطَعَ قَوْلُهُ حَقَّهُ فِيهَا فَهِيَ لِمَنْ أُعْمِرَ وَلِعَقِبِهِ " .
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে জীবনস্বত্ব দান করলে তা তার এবং তার ওয়ারিসদের। দানকারীর কথা তাতে তার অধিকার কর্তন (অবসান) করে দিয়েছে। অতএব যাকে জীবনস্বত্ব দান করা হয়েছে তার ও তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য।
[২৩৮০] সহীহুল বুখারী ২৬২৫, মুসলিম ১৬২৫, তিরমিযী ১৩৫০, ১৩৫১, নাসায়ী ৩৭২৭, ৩৭৩১, ৩৭৩৬, ৩৭৩৭, ৩৭৪০, ৩৭৪১, ৩৭৪২, ৩৭৪৪, ৩৭৪৫, ৩৭৪৬, ৩৭৪৭, ৩৭৪৮, ৩৭৮৯, আবূ দাউদ ৩৫৫০, ৩৫৫১, ৩৫৫৩, ৩৫৫৫, ৩৫৫৬, ৩৫৫৮, আহমাদ ১৪৬৫৯, ১৪৮৬৬, মুয়াত্তা মালেক ১৪৭৯, বায়হাকী ফিস সুনান ৬/৭৪, ১৭২, ইবনু হিব্বান ১৫৩৭, ইরওয়া ৬/৪৯, ৫০। তাহকীক আলবানী (রহঃ)ঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ حُجْرٍ الْمَدَرِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ﷺ جَعَلَ الْعُمْرَى لِلْوَارِثِ.
নবী (ﷺ) জীবনস্বত্বকে (স্বত্বভোগীর) ওয়ারিসদের জন্য সাব্যস্ত করেছেন।
[২৩৮১] নাসায়ী ৩৭২০, আহমাদ ২১০৭৬। তাহকীক আলবানী (রহঃ)ঃ সহীহ।
১৪/৪. অধ্যায়ঃ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " لاَ رُقْبَى فَمَنْ أُرْقِبَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ حَيَاتَهُ وَمَمَاتَهُ " . قَالَ وَالرُّقْبَى أَنْ يَقُولَ هُوَ لِلآخَرِ مِنِّي وَمِنْكَ مَوْتًا.
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ রুকবা বলতে কিছু নেই। তবে কারো অনুকূলে কিছু রুকবা (এক প্রকার দান) করা হলে তার জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরও সে তার মালিক হবে। রাবী বলেন, রুকবা এই যে, দানকারী বললো, “আমার ও তোমার মধ্যে যে শেষে মরবে এটা তার। ”
[২৩৮২] নাসায়ী ৩৭৩২, ইরওয়া ৬/৫৪। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا دَاوُدُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " الْعُمْرَى جَائِزَةٌ لِمَنْ أُعْمِرَهَا وَالرُّقْبَى جَائِزَةٌ لِمَنْ أُرْقِبَهَا " .
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব (উমরা) এক প্রকার দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার এবং রুকবা ও এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার।
[২৩৮৩] সহীহুল বুখারী ২৬২৫, মুসলিম ১৬২৫, তিরমিযী ১৩৫০, ১৩৫১, নাসায়ী ৩৭২৭, ৩৭৩১, ৩৭৩৬, ৩৭৩৭, ৩৭৪০, ৩৭৪১, ৩৭৪২, ৩৭৪৪, ৩৭৪৫, ৩৭৪৬, ৩৭৪৭, ৩৭৪৮, ৩৭৮৯, আবূ দাউদ ৩৫৫০, ৩৫৫১, ৩৫৫৩, ৩৫৫৫, ৩৫৫৬, ৩৫৫৮, আহমাদ ১৪৬৫৯, ১৪৮৬৬, মুয়াত্তা মালেক ১৪৭৯, ইরওয়া ৬/৫৩। তাহকীক আলবানী (রহঃ)ঃ সহীহ।
১৪/৫. অধ্যায়ঃ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ خِلاَسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ﷺ " إِنَّ مَثَلَ الَّذِي يَعُودُ فِي عَطِيَّتِهِ كَمَثَلِ الْكَلْبِ أَكَلَ حَتَّى إِذَا شَبِعَ قَاءَ ثُمَّ عَادَ فِي قَيْئِهِ فَأَكَلَهُ " .
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দান ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের সমতুল্য যে পেট ভরে খাওয়ার পর বমি করে, তারপর ফিরে এসে আবার তা গলধঃকরণ করে।
[২৩৮৪] আহমাদ ৭৪৭২, ৯২৬৭, ১০০০৮, ইরওয়া ৬/৬৪, সহীহাহ ১৬৯৯। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।