৫/১৫৪. অধ্যায়ঃ
ইসতিসকার সলাতের দুআ’।
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১২৭২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১২৭২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ الأَزْهَرِ، حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَقِيلٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ حَمْزَةَ، حَدَّثَنَا سَالِمٌ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رُبَّمَا ذَكَرْتُ قَوْلَ الشَّاعِرِ وَأَنَا أَنْظُرُ، إِلَى وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَلَى الْمِنْبَرِ فَمَا نَزَلَ حَتَّى جَيَّشَ كُلُّ مِيزَابٍ بِالْمَدِينَةِ فَأَذْكُرُ قَوْلَ الشَّاعِرِ وَأَبْيَضَ يُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ ثِمَالُ الْيَتَامَى عِصْمَةٌ لِلأَرَامِلِ وَهُوَ قَوْلُ أَبِي طَالِبٍ .
আবদুল্লাহ বিন উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, কখনও কখনও আমার কবির কবিতা স্মরণ হতো এবং আমি মিম্বারের উপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর চেহারা মোবারকের দিকে লক্ষ্য নিবদ্ধ করে রাখতাম। তিনি মিম্বর থেকে অবতরণ না করতেই মদীনার বাড়িঘরের ছাদের পানিবাহী নল দিয়ে (বৃষ্টির) পানি পড়তে শুরু করে (পানি অপসারী নালা দিয়ে পানি বয়ে যেতে শুরু করতো)। তখন কবির কবিতা আমার মনে পড়ে যেতো: وَأَبْيَضَ يُسْتَسْقَى الْغَمَامُ بِوَجْهِهِ (ওয়া আবইয়াদু ইউসতাসকাল গামামু বিওয়াজহিহি) “কত সুন্দর সৌন্দর্যময় সত্তা, যাঁর উসীলায় বৃষ্টি বর্ষণের প্রার্থনা করা যায়, যিনি ইয়াতিম ও বিধবাদের আশ্রয়স্থল”। এটা আবু তালিবের কবিতা।
[১২৭২] বুখারী ১০০৯, আহমাদ ৫৬৪০। তাহক্বীক্ব আলবানী: হাসান। তাখরীজ আলবানী: বুখারীতে তালীক ও মাওদূদ রূপে। উক্ত হাদিসের রাবী উমার বিন হামাযাহ সম্পর্কে ইবনু হিব্বান সিকাহ বললেও অন্যত্রে বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মুনকারুল হাদিস। ইমাম নাসাঈ তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু আদী তার থেকে হাদিস গ্রহন করেছেন।
