৯/১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮৭২ - বিধবার মত ও কুমারীর নীরবতা
কুমারী ও বিধবা মেয়ের মত গ্রহণ প্রসঙ্গে।
বিধবার স্পষ্ট মত ও কুমারীর নীরবতা: বিবাহে সম্মতি
সুনানে ইবনে মাজাহ : ১৮৭২
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ১৮৭২
حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ حَمَّادٍ الْمِصْرِيُّ أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي حُسَيْنٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ عَدِيٍّ الْكِنْدِيِّ عَنْ أَبِيهِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ الثَّيِّبُ تُعْرِبُ عَنْ نَفْسِهَا وَالْبِكْرُ رِضَاهَا صَمْتُهَا
আদী বিন উমায়রাহ আল কিন্দী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ " বিধবা মহিলা তার ব্যাপারে সুস্পষ্ট মত প্রকাশ করবে। আর কুমারী মেয়ের নীরবতা তার সম্মতির লক্ষণ। "
[১৮৭২] আহমাদ ১৭২৬৯, বায়হাকী ৭/১১০, ইরওয়াহ ১৮৩৬। তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ১৮৭২-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বিবাহে নারীর সম্মতির দুটি ধরন বলা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, বিধবা মহিলা নিজের ব্যাপারে সুস্পষ্ট মত প্রকাশ করবে। আর কুমারী মেয়ের নীরবতা তার সম্মতির লক্ষণ। এখানে বিধবার ক্ষেত্রে কথা স্পষ্ট: সে নিজের সিদ্ধান্ত জানাবে। কুমারী মেয়ের ক্ষেত্রে লজ্জার বিষয় থাকতে পারে, তাই তার নীরবতাকে সম্মতির চিহ্ন হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে হাদিসের শিক্ষা হলো, বিবাহে সংশ্লিষ্ট নারীর মত জানা জরুরি। কেউ তাকে শুধু বস্তু বা বিনিময়ের বিষয় হিসেবে দেখবে না। বিবাহে সম্মতি, সম্মান এবং স্বাভাবিক লজ্জার প্রতি খেয়াল—এসব একসাথে এসেছে। এই বর্ণনা পরিবারকে শেখায়, মেয়ের মনোভাব জানার জন্য সংবেদনশীল ও ন্যায়ভিত্তিক আচরণ দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিধবা নিজের মত স্পষ্টভাবে জানাবে।
- কুমারীর নীরবতা সম্মতির লক্ষণ হতে পারে।
- বিবাহে নারীর মনোভাব জানা জরুরি।
- সম্মতি নেওয়ার সময় লজ্জা ও শালীনতা বুঝে আচরণ করা উচিত।
