৩১/৪৬. অধ্যায়ঃ
ভীতিকর পরিস্থিতি ও নিদ্রাহীনতা এবং তা থেকে মুক্ত হওয়ার দুআ’
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৫৪৯
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৫৪৯
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ حَيَّانَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى، أَنْبَأَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا أَبُو جَنَابٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ أَبِيهِ أَبِي لَيْلَى، قَالَ كُنْتُ جَالِسًا عِنْدَ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذْ جَاءَهُ أَعْرَابِيٌّ فَقَالَ إِنَّ لِي أَخًا وَجِعًا . قَالَ " مَا وَجَعُ أَخِيكَ " . قَالَ بِهِ لَمَمٌ . قَالَ " اذْهَبْ فَأْتِنِي بِهِ " . قَالَ فَذَهَبَ فَجَاءَ بِهِ فَأَجْلَسَهُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَسَمِعْتُهُ عَوَّذَهُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ وَأَرْبَعِ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ الْبَقَرَةِ وَآيَتَيْنِ مِنْ وَسَطِهَا وَإِلَهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ وَآيَةِ الْكُرْسِيِّ وَثَلاَثِ آيَاتٍ مِنْ خَاتِمَتِهَا وَآيَةٍ مِنْ آلِ عِمْرَانَ - أَحْسِبُهُ قَالَ {شَهِدَ اللَّهُ أَنَّهُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ} - وَآيَةٍ مِنَ الأَعْرَافِ {إِنَّ رَبَّكُمُ اللَّهُ الَّذِي خَلَقَ} الآيَةَ وَآيَةٍ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ {وَمَنْ يَدْعُ مَعَ اللَّهِ إِلهًا آخَرَ لاَ بُرْهَانَ لَهُ بِهِ } وَآيَةٍ مِنَ الْجِنِّ {وَأَنَّهُ تَعَالَى جَدُّ رِبِّنَا مَا اتَّخَذَ صَاحِبَةً وَلاَ وَلَدًا} وَعَشْرِ آيَاتٍ مِنْ أَوَّلِ الصَّافَّاتِ وَثَلاَثِ آيَاتٍ مِنْ آخِرِ الْحَشْرِ وَ {قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ } وَالْمُعَوِّذَتَيْنِ . فَقَامَ الأَعْرَابِيُّ قَدْ بَرَأَ لَيْسَ بِهِ بَأْسٌ .
আবূ লায়লা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, আমি নবী (ﷺ)-এর নিকট বসে থাকা অবস্থায় এক বেদুঈন তাঁর নিকটে এসে বললো, আমার এক অসুস্থ ভাই আছে। তিনি বলেনঃ তোমার ভাই কী রোগে আক্রান্ত? সে বললো, (কোন কিছুর) কুপ্রভাব (আছর)। তিনি বলেনঃ তুমি যাও এবং তাকে আমার নিকট নিয়ে এসো।আবু লায়লা (রাঃ) বলেন, সে গিয়ে তার ভাইকে নিয়ে আসলে তিনি তাকে নিজের সামনে বসান। আমি শুনতে পেলাম, তিনি(১) সূরা ফাতিহা,(২) সূরা বাকারার প্রথম চার আয়াত,(৩) মধ্যখানের দু’ আয়াত (১৬৩-১৬৪ নং আয়াত),(৪) আয়াতুল কুরসি (২৫৫ নং আয়াত) এবং(৫) বাকারার শেষ তিন আয়াত (২৮৪-২৮৬ আয়াত) এবং(৬) আল ইমরানের একটি আয়াত, আমার মনে হয় তিনি ১৮ নং আয়াত পড়েছিলেন এবং(৭) সূরা আরাফের এক আয়াত (৫৪ নং আয়াত),(৮) সূরা মুমিনুনের এক আয়াত (১১৭ নং আয়াত),(৯) সূরা জিন-এর এক আয়াত (৩ নং আয়াত),(১০) সূরা সাফফাত-এর প্রথম দশ আয়াত,(১১) সূরা হাশরের শেষ তিন (২২, ২৩ ও ২৪) আয়াত,(১২) সূরা ইখলাস,(১৩) সূরা ফালাক ও(১৪) সূরা নাস পড়ে তাকে ফুঁ দিলেন।তাতে বেদুঈন এমনভাবে সুস্থ হয়ে দাঁড়ালো যে, তার কোন রোগই অবশিষ্ট নেই।
তাহকীক আলবানীঃ দুর্বল।৩৫৪৯. হাদীসটি ইমাম ইবনু মাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন ।
