৩৩/৫০. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৭৬ - দুজনের কানাকানি ও তৃতীয় ব্যক্তির সম্মান
তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দু’জনে যেন কান পরামর্শ না করে
দুজনের কানাকানি নিষেধ সম্পর্কে হাদিস
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৩৭৭৬
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৩৭৭৬
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ أَنْ يَتَنَاجَى اثْنَانِ دُونَ الثَّالِثِ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দুজনে কান পরামর্শ করতে নিষেধ করেছেন।
[৩০০৭] সহীহুল বুখারী ৬২৮৮, মুসলিম ২১৮৩, আবূ দাউদ ৪৮৫১, আহমাদ ৪৫৫০, ৪৬৫০, ৪৮৫৬, ৫০০৩, ৫০২৬, ৫২৩৬, ৫৪০২, ৫৪৭৭, ৫৯১৩, ৫৯৮৮, ৬০২১, ৬০৪৯, ৬১৯০, ৬২২৮, ৬৩০২,
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৩৭৭৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো তৃতীয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে দুজনের কানাকানি না করা। ইবনু উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم তৃতীয় জনকে বাদ দিয়ে দুজনে কানাকানি করতে নিষেধ করেছেন। হাদিসটি ছোট হলেও সামাজিক জীবনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ শুধু কথার অর্থে কষ্ট পায় না; কখনো কথার ধরনেও কষ্ট পায়। তিনজনের মধ্যে দুজন আলাদা হয়ে ফিসফিস করলে তৃতীয় ব্যক্তি নিজেকে অবহেলিত ভাবতে পারে। তাই ভালো আদব হলো, সবাই উপস্থিত থাকলে এমন কথা না বলা যা অন্যকে বিচ্ছিন্ন করে। এই শিক্ষা পরিবার, বন্ধুত্ব, অফিস, মজলিস—সব জায়গায় কাজে লাগে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তৃতীয় ব্যক্তিকে বাদ দিয়ে গোপন কথা বলা থেকে বারণ করা হয়েছে।
- কথাবার্তায় অন্যের সম্মান ও মনের অবস্থা দেখা দরকার।
- মজলিসে এমন আচরণ করা উচিত নয় যা কাউকে একা বা অবহেলিত করে।
