১/১১১. অধ্যায়ঃ
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬১১ - পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগ অদৃশ্য হলে গোসল
পুরুষ ও নারীর লজ্জাস্থান একত্র হলেই গোসল ওয়াজিব হয়
দুই লিঙ্গ মিলিত হলে গোসল: পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগের বিধান
সুনানে ইবনে মাজাহ : ৬১১
সুনানে ইবনে মাজাহহাদিস নম্বর ৬১১
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ ﷺ ـ «إِذَا الْتَقَى الْخِتَانَانِ وَتَوَارَتِ الْحَشَفَةُ فَقَدْ وَجَبَ الْغُسْلُ».
আবদুল্লাহ্ বিন আম্র ইবনুল আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন, দু’বিপরীত লিঙ্গ পরস্পর মিলিত হলে এবং পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগ অদৃশ্য হয়ে গেলেই গোসল ওয়াজিব হয়।
[৬০৮] সহীহ। তাখরীজ আলবানী: সহীহাহ ৩/২৬০।
সুনানে ইবনে মাজাহ হাদিস ৬১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেন, দু’ বিপরীত লিঙ্গ পরস্পর মিলিত হলে এবং পুরুষাঙ্গের অগ্রভাগ অদৃশ্য হয়ে গেলে গোসল ফরজ হয়। এখানে “দুই লিঙ্গ মিলিত হলে গোসল” বিষয়ে একটি নির্দিষ্ট সীমা বলা হয়েছে। হাদিসটি দাম্পত্য পবিত্রতার মাসআলা খুব স্পষ্ট ভাষায় বুঝিয়েছে, যদিও বিষয়টি ব্যক্তিগত। তাই ব্যাখ্যার সময় শালীনতা রাখা জরুরি। মূল বার্তা হলো, নির্দিষ্ট ধরনের মিলন ঘটলে গোসলের বিধান আসে। এতে বীর্যপাতের কথা আলাদা করে শর্ত হিসেবে বলা হয়নি। এই হাদিস সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দেয়—সহবাসের কতটুকু হলে গোসল ফরজ হয়। তবে বাস্তব জীবনে বিস্তারিত মাসআলা থাকলে আলেমের কাছে জেনে নেওয়া নিরাপদ, কারণ একই বিষয়ে আরও বর্ণনা আছে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নির্দিষ্ট মিলনের পর গোসল ফরজ হওয়ার সীমা বলা হয়েছে।
- বীর্যপাতের কথা এখানে শর্ত হিসেবে আলাদা করে নেই।
- ব্যক্তিগত মাসআলা শালীনভাবে শেখা ও শেখানো দরকার।
- দাম্পত্য পবিত্রতা ইবাদতের প্রস্তুতির অংশ।
