৩৯/২১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৪১৬ - বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি
বদনজর, পিঁপড়ার কাপড় ও বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁক করা মুস্তাহাব
বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে রুকইয়া: ঝাড়ফুঁকের অনুমতি সম্পর্কে হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৪১৬
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৪১৬
حديث عَائِشَةَ عَنِ الأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ، أَنَّهُ قَالَ: سَأَلْتُ عَائِشَةَ عَنِ الرُّقْيَةِ مِنَ الْحُمَةِ فَقَالَتْ: رَخَّصَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الرُّقْيَةَ مِنْ كُلِّ ذِي حُمَةٍ
আবদুর রহমান ইবনুল আসওয়াদের পিতা আসওয়াদ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের কারণে ঝাড়-ফুঁক গ্রহণের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ নবী (ﷺ) সব রকমের বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়-ফুঁক গ্রহণের জন্য অনুমতি দিয়েছেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৭৬ : চিকিৎসা, অধ্যায় ৩৭, হাঃ ৫৭৪১; মুসলিম, পর্ব ৩৯ : সালাম, অধ্যায় ২১, হাঃ ২১৯৩
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৪১৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ ‘আয়িশা (রাঃ)-কে বিষাক্ত প্রাণীর দংশনের কারণে ঝাড়ফুঁক গ্রহণের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেন। ‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) সব ধরনের বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি দিয়েছেন। হাদিসটি খুব পরিষ্কারভাবে “রুকইয়া” বা ঝাড়ফুঁকের একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের কথা বলে। এখানে মূল কীওয়ার্ড হলো “বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে রুকইয়া”, “ঝাড়ফুঁকের অনুমতি” এবং “সাপ বিচ্ছুর দংশনে দোয়া”। হাদিসে কোন দোয়া পড়তে হবে, কীভাবে পড়তে হবে—এসব বিস্তারিত নেই; তাই অতিরিক্ত নিয়ম যোগ করা উচিত নয়। শুধু বলা যায়, বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে বৈধ ঝাড়ফুঁক গ্রহণের অনুমতি রয়েছে। এতে বোঝা যায়, কষ্টের সময় আল্লাহর সাহায্য চেয়ে রুকইয়া করা গ্রহণযোগ্য, যখন তা শরিয়তের সীমার মধ্যে থাকে—ইসলামী স্কলারদের মতে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- বিষাক্ত প্রাণীর দংশনে ঝাড়ফুঁকের অনুমতি হাদিসে এসেছে।
- প্রশ্নের উত্তরে ‘আয়িশা (রাঃ) নবীজির অনুমতির কথা বলেছেন।
- হাদিসে বিস্তারিত পদ্ধতি নেই, তাই অতিরিক্ত নিয়ম বানানো ঠিক নয়।
