৫২/২৬. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৬৩ - কিয়ামতের কাছাকাছি সময়ের বার্তা
কেয়ামতের নিকটবর্তী হওয়া।
কিয়ামতের সহিহ হাদিস: নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রেরণ ও শেষ সময়
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ১৮৬৩
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ১৮৬৩
حديث أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، قَالَ: بُعِثْتُ وَالسَّاعَةَ كَهَاتَيْنِ
আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমাকে প্রেরণ করা হয়েছে কিয়ামতের সঙ্গে এ রকম।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৮১: সদয় হওয়া, অধ্যায় ৩৯, হাঃ ৬৫০৪; মুসলিম, পর্ব ৫২ : ফিতনা এবং তার অশুভ আলামতসমূহ, অধ্যায় ২৬, হাঃ ২৯৫১
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ১৮৬৩-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত হাদিসে বড় একটি বিষয় বলা হয়েছে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, তাঁকে কিয়ামতের সঙ্গে এ রকম পাঠানো হয়েছে। কথাটি ছোট, কিন্তু ভাবনা গভীর। এর মাধ্যমে বোঝা যায়, তাঁর নবুয়তের পর দুনিয়ার সময় শেষ পর্যায়ে চলে এসেছে। এখানে নির্দিষ্ট কোনো দিন, মাস বা বছর বলা হয়নি। তাই এই হাদিস থেকে কিয়ামতের তারিখ বের করা যাবে না। বরং মুমিনের মনকে জাগিয়ে তোলাই মূল শিক্ষা। কিয়ামতের হাদিস শুনে মানুষ যেন নিজের নামাজ, আমল, হালাল-হারাম ও চরিত্র নিয়ে চিন্তা করে। সময় যতই থাকুক, মৃত্যুর পর প্রত্যেকের জন্য নিজের হিসাব শুরু হয়। তাই প্রস্তুতি নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- কিয়ামতের তারিখ নয়, প্রস্তুতিই মুমিনের আসল কাজ।
- নবীজি (صلى الله عليه وسلم)-এর প্রেরণ শেষ সময়ের গুরুত্ব মনে করায়।
- ছোট হাদিস থেকেও গভীর শিক্ষা পাওয়া যায়।
- জীবনকে আমল ও জবাবদিহির দৃষ্টিতে দেখা দরকার।
