৫/৩২. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩৫৭ - গরমে যুহর ঠাণ্ডায় পড়া
যুহরের সালাত প্রখর গরমের সময় ঠাণ্ডা করে পড়া মুস্তাহাব ঐ ব্যক্তির জন্য, যে ব্যক্তি জামাআতে যায় এবং রাস্তায় তাকে রৌদ্রের তাপ লাগে।
প্রচণ্ড গরমে যুহর সালাত ঠাণ্ডায় আদায়ের শিক্ষা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৫৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৩৫৭
حديثُ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِذَا اشْتَدَّ الْحَرُّ فَأَبْرِدُوا بِالصَّلاَةِ فَإِنَّ شِدَّةَ الْحَرِّ مِنْ فَيْحِ جَهَنَّمَ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেনঃ যখন গরম বেড়ে যায় তখন তোমরা তা কমে এলে (যুহরের) সালাত আদায় করো। কেননা, গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপের অংশ।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৯ : সালাতের সময়সমূহ, অধ্যায় ৯, হাঃ ৫৩৬; মুসলিম, পর্ব ৫; মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা, অধ্যায় ৩২, হাঃ ৬১৫
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৩৫৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবীজি (صلى الله عليه وسلم) বলেন, গরম বেড়ে গেলে ঠাণ্ডা হলে সালাত আদায় করো; কারণ গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের উত্তাপের অংশ। এখানে মূল বিষয় হলো প্রচণ্ড গরমের সময়ে যুহরের সালাত আদায়ে স্বস্তির দিকটি বিবেচনা করা। হাদিসটি মানুষের কষ্টকে অগ্রাহ্য করেনি; বরং গরম কমার পর সালাত আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে। একই সঙ্গে এটি জাহান্নামের ভয়ও স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই এই বর্ণনা শুধু সময়ের নিয়ম নয়, অন্তরের শিক্ষা দেয়—দুনিয়ার তাপও আখিরাতের কথা মনে করাতে পারে। তবে ব্যাখ্যা হাদিসের বক্তব্যের মধ্যেই সীমিত রাখা হলো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- প্রচণ্ড গরমে যুহরের সালাত ঠাণ্ডা হলে আদায়ের নির্দেশ এসেছে।
- ইসলাম মানুষের কষ্টের বিষয়কে বিবেচনা করে।
- গরমের প্রচণ্ডতা জাহান্নামের কথা স্মরণ করায়।
