১৩/১৯. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৯৪ - আশূরার সাওমের গুরুত্ব
আশুরা বা মহররম মাসের দশ তারিখের সাওম।
আশূরার রোজার গুরুত্ব: ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর বর্ণনা
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৬৯৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৬৯৪
حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: مَا رَأَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَتَحَرَّى صِيَامَ يَوْم فَضَّلَهُ عَلَى غَيْرِهِ إِلاَّ هذَا الْيَوْمَ، يَوْمَ عَاشُورَاءَ؛ وَهذَا الشَّهْرَ، يَعْنِي شَهْرَ رَمَضَانَ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আল্লাহর রাসূল (ﷺ)-কে আশূরাহর দিনের সাওমের উপরে অন্য কোন দিনের সাওমকে প্রাধান্য দিতে দেখিনি এবং এ মাস অর্থাৎ রমাযান মাস (এর উপরও অন্য মাসের গুরুত্ব প্রদান করতে দেখিনি)।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সওম, অধ্যায় ৬৯, হাঃ ২০০৬; মুসলিম, পর্ব ১৩: সওম, অধ্যায় ১৯, হাঃ ১১৩২
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৬৯৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে আশূরার দিনের সাওমের ওপর অন্য কোনো দিনের সাওমকে প্রাধান্য দিতে দেখেননি, এবং এই মাস অর্থাৎ রমাযান মাসের ওপরও অন্য মাসকে এমন গুরুত্ব দিতে দেখেননি। এখানে আশুরার রোজার গুরুত্ব ও রমাযানের মর্যাদা একসঙ্গে এসেছে। তবে হাদিসের ভাষা যতটুকু বলেছে, আমরা ততটুকুই বলি। এটি আশূরার সাওমের বিশেষ গুরুত্ব বোঝায়, কিন্তু রমাযানের ফরয সাওমের স্থান আলাদা। আশুরার রোজা, রমজানের রোজা এবং নফল সাওমের মূল্য বুঝতে এই বর্ণনা খুব সহজ ও শক্তিশালী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) আশূরার সাওমকে গুরুত্ব দিতেন।
- রমাযান মাসের সাওমের বিশেষ মর্যাদা আছে।
- নফল আমলের গুরুত্ব থাকলেও ফরয আমলের স্থান আলাদা।
- সাহাবীরা নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমল ভালোভাবে লক্ষ্য করতেন।
