১৩/২৪. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭০১ - শুধু জুমার দিনে রোজা রাখার বিধান
শুধু জুমার দিনে সাওম পালন অপছন্দনীয়।
শুধু জুমার দিনে রোজা নয়: জুমার সাওমের সহজ বিধান
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৭০১
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৭০১
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: لاَ يَصُومَنَّ أَحَدُكُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ إِلاَّ يَوْمًا قَبْلَهُ أَوْ بَعْدَهُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, তোমাদের কেউ যেন শুধু জুম‘আর দিনে সাওম পালন না করে কিন্তু তার পূর্বে একদিন অথবা পরের দিন (যদি পালন করে তবে জুমু‘আর দিনে সাওম পালন করা যায়)।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৩০: সওম, অধ্যায় ৬৩, হাঃ ১৯৮৫; মুসলিম, পর্ব ১৩: সওম, অধ্যায় ২৪, হাঃ ১১৪৪
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭০১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, শুধু জুমার দিনে আলাদা করে সাওম রাখা উচিত নয়। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, জুমার দিনে সাওম রাখতে হলে তার আগের দিন বা পরের দিনও সাওম রাখতে হবে। তাই জুমার রোজা নিয়ে যারা জানতে চান, তাদের জন্য এই বর্ণনা খুব পরিষ্কার পথ দেখায়। এখানে জুমার মর্যাদা কমানো হয়নি; বরং সাওমের নিয়মকে সঠিকভাবে মানার কথা বলা হয়েছে। কেউ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার, অথবা শুক্রবার ও শনিবার সাওম রাখলে এই হাদিসের নিষেধের মধ্যে পড়বে না। তাই নফল রোজা রাখার আগ্রহ থাকলেও নিয়ম জেনে রাখা জরুরি। ইবাদত শুধু আবেগ দিয়ে নয়, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো পদ্ধতি মেনে করলে তা বেশি সুন্দর হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শুধু জুমার দিনে এককভাবে সাওম রাখা থেকে বাঁচতে হবে।
- জুমার সাওম রাখতে চাইলে আগের বা পরের দিন যুক্ত করতে হবে।
- নফল ইবাদতেও নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর শেখানো নিয়ম অনুসরণ করা জরুরি।
