২০/৫. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯৬৪ - ক্রীতদাস মুক্তির ফজিলত
গোলাম আযাদ করার ফাযায়েল।
ক্রীতদাস মুক্তির ফজিলত: আগুন থেকে মুক্তির আশার হাদিস
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৯৬৪
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৯৬৪
حديث أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه، قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أَيُّمَا رَجُلٍ أَعْتَقَ امْرَءًا مُسْلِمًا اسْتَنْقَذَاللهُ بِكُلِّ عُضْوٍ مِنْهُ عُضْوًا مِنْهُ مِنَ النَّارِ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, কেউ কোন মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করলে আল্লাহ্ সেই ক্রীতদাসের প্রত্যেক অঙ্গের বিনিময়ে তার এক একটি অঙ্গ (জাহান্নামের) আগুন হতে মুক্ত করবেন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ৪৯: ক্রীতদাস আযাদ করা, অধ্যায় ১, হাঃ ২৫১৭; মুসলিম, পর্ব ২০: ‘ইতক (মুক্তি), অধ্যায় ৫, হাঃ ১৫০৯
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৯৬৪-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হলো ক্রীতদাস মুক্তি। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, কেউ কোনো মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করলে আল্লাহ সেই ক্রীতদাসের প্রত্যেক অঙ্গের বিনিময়ে মুক্তিদাতার এক একটি অঙ্গ আগুন থেকে মুক্ত করবেন। হাদিসটি দাসমুক্তির ফজিলতকে খুব পরিষ্কারভাবে তুলে ধরে। এখানে বড় কোনো গল্প নেই, বরং একটি সরাসরি উৎসাহ আছে। এতে বোঝা যায়, মানুষের মুক্তি ও কল্যাণের কাজে অংশ নেওয়া আল্লাহর কাছে মূল্যবান আমল। তবে হাদিসে যে কথাটি এসেছে, সেটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত; এর বাইরে অতিরিক্ত দাবি করা ঠিক নয়। ক্রীতদাস মুক্তির হাদিস আমাদের দয়া, সহায়তা ও মানুষের মর্যাদা রক্ষার দিকে মন দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুসলিম ক্রীতদাস মুক্ত করা বড় ফজিলতের কাজ।
- মানুষকে মুক্ত করার কাজে আল্লাহর রহমতের আশা আছে।
- হাদিসটি মুক্তির কাজে উৎসাহ দেয়।
- কোনো আমলের ফজিলত বলার সময় হাদিসের কথার মধ্যেই থাকা উচিত।
