৪/২৬. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১২১-[৩] - অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি
ইমামতির বর্ণনা - প্রথম অনুচ্ছেদ
অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি: যোগ্যতাই আসল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১১২১-[৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১১২১-[৩]
وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: اسْتَخْلَفَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ ابْنَ أُمِّ مَكْتُومٍ يَؤُمُّ النَّاس وَهُوَ أعمى. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একদা ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাক্তুম (রাঃ)-কে সালাত আদায়ের জন্যে নিজের স্থলাভিষিক্ত করে দিলেন। অথচ তিনি ছিলেন জন্মান্ধ। (আবূ দাঊদ) [১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৫৯৫, সুনানুস্ সুগরা লিল বায়হাক্বী ৫০৭।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১১২১-[৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইমামতির একটি সহজ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ দিক দেখা যায়। রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এক সময় আবদুল্লাহ ইবনু উম্মু মাকতূমকে নিজের স্থলাভিষিক্ত করে সালাত আদায়ের দায়িত্ব দেন। হাদিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে, তিনি জন্মান্ধ ছিলেন। তাই এখানে মূল শিক্ষা হলো, ইমামতি শুধু বাহ্যিক অবস্থা দিয়ে বিচার করা হয় না; সালাত পরিচালনার যোগ্যতা থাকলে শারীরিক অন্ধত্ব নিজে নিজে বাধা নয়। এই কারণে অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি, সালাতে ইমাম নির্বাচন এবং জামাআতের নেতৃত্ব—এসব বিষয়ে এই বর্ণনা খুব প্রাসঙ্গিক। তবে হাদিসে অতিরিক্ত কোনো শর্ত বা বিস্তারিত ফিকহি আলোচনা নেই; তাই ব্যাখ্যাও শুধু এতটুকুতেই সীমিত রাখা উচিত।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইমাম নির্বাচনে যোগ্যতা ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।
- শারীরিক অন্ধত্ব নিজে নিজে ইমামতির বাধা হিসেবে হাদিসে উল্লেখ হয়নি।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم যোগ্য ব্যক্তিকে সালাতের নেতৃত্বে নিয়োগ করেছেন।
