৪/৩২. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২২১-[৮] - ফজরের সালাত ছেড়ে ঘুমানোর ভয়

রাতের সালাতে যা পড়তেন - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

সালাতে না ওঠা ও শয়তানের সতর্কতা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১২২১-[৮]

وَعَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: ذُكِرَ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ رَجُلٌ فَقِيْلَ لَه مَازَالَ نَائِمًا حَتّى أَصْبَحَ مَا قَامَ إِلَى الصَّلَاةِ قَالَ: «ذَلِكَ رَجُلٌ بَالَ الشَّيْطَانُ فِي أُذُنِه» أَو قَالَ: «فِي أُذُنَيْهِ». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ)-এর সম্মুখে এক লোক সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। তাঁকে বলা হলো, লোকটি সকাল পর্যন্ত একটানা ঘুমিয়ে থাকে, সালাতের জন্যে উঠে না। তিনি (ﷺ) ইরশাদ করেন, এ লোকের কানে অথবা তিনি (ﷺ) বলেছেন, তার দুই কানে শয়তান (শয়তান) পেশাব করে দিয়েছে। (বুখারী, মুসলিম)[১]

[১] সহীহ : বুখারী ৩২৭০, মুসলিম ৭৭৪।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১২২১-[৮]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে এমন এক ব্যক্তির কথা বলা হয়েছে, যে সকাল পর্যন্ত ঘুমিয়ে থাকে এবং সালাতের জন্য ওঠে না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ব্যাপারে কঠিন ভাষায় সতর্ক করেছেন। তিনি বলেছেন, তার কানে অথবা দুই কানে শয়তান পেশাব করেছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, রাতের ঘুম যেন ফরজ সালাত ও রাতের ইবাদত থেকে মানুষকে গাফেল না করে। তাহাজ্জুদ ও ফজরের সালাত মানুষের ঈমানি জাগরণের বড় পরিচয়। বিশেষ করে যখন কেউ নিয়মিতভাবে সালাতের জন্য ওঠে না, তখন এটি শুধু অলসতা নয়; বরং শয়তানের প্রভাব ও গাফিলতির লক্ষণ হতে পারে। তাই ঘুমের আগে নিয়ত করা, সময়মতো ওঠার ব্যবস্থা করা এবং সালাতকে জীবনের অগ্রাধিকার বানানো জরুরি।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • সালাতের জন্য না ওঠা গাফিলতির বড় লক্ষণ।
  • শয়তান মানুষকে ঘুমের মাধ্যমে ইবাদত থেকে দূরে রাখতে চায়।
  • ফজর ও রাতের সালাতের জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া দরকার।
  • নিয়মিত সালাত রক্ষায় অলসতাকে ছোট করে দেখা ঠিক নয়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন