৪/৪৩. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৮৫-[১৫] - খুতবার সময় চুপ থাকার কঠোর শিক্ষা

জুমার সালাত ফরজ - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

খুতবার সময় চুপ থাকো বলাও কেন নিষেধ

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৩৮৫-[১৫]

وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ: «إِذَا قُلْتَ لِصَاحِبِكَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ أَنْصِتْ وَالْإِمَامُ يَخْطُبُ فَقَدْ لَغَوْتَ». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ ইমাম খুতবাহ্‌ পাঠ করার সময় যদি তুমি তোমার কাছে বসা লোকটিকে বলো যে, ‘চুপ থাকো’ তাহলে তোমার এ কথাটিও অর্থহীন। (বুখারী, মুসলিম) [১]

[১] সহীহ : বুখারী ৯৩৪, মুসলিম ৮৫১, আবূ দাঊদ ১১১২, নাসায়ী ১৪০২, ইবনু মাজাহ্ ১১১০, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক্ব ৫৪১৬, ইবনু হিব্বান ২৭৯৩, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১০৮০, ইরওয়া ৬১৯, সহীহ আত্ তারগীব ৭১৬।

অনুবাদের উৎস

প্রকাশক:
হাদিস একাডেমী
মতামত ও সংশোধনের শর্তাবলি

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৩৮৫-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে জুমার খুতবার সময় নীরব থাকার বিষয়টি খুব স্পষ্টভাবে এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ইমাম যখন খুতবা দিচ্ছেন, তখন পাশে বসা কাউকে যদি বলা হয়, ‘চুপ থাকো’, তবে এটিও অর্থহীন কাজ হয়ে যায়। এখানে শিক্ষা হলো, খুতবার সময় কথা বলা থেকে বাঁচতে হবে, এমনকি ভালো উদ্দেশ্যে বলা ছোট কথাও এ সময় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ খুতবা শোনা জুমার সালাতের একটি বড় আদব। এই হাদিস মানুষকে বুঝায়, খুতবার সময় নিজের মন, মুখ ও আচরণ—সবই নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়। জুমার খুতবা চুপচাপ শোনা মানে শুধু বড় কথা না বলা নয়; বরং অপ্রয়োজনীয় সব কথা ও ইশারা থেকে দূরে থাকা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • খুতবার সময় কথা বলা থেকে বিরত থাকা জরুরি আদব।
  • পাশের জনকে ‘চুপ থাকো’ বলাও এ সময় অর্থহীন কাজ হিসেবে এসেছে।
  • খুতবা চলাকালীন নিজের মনোযোগ ইমামের কথার দিকে রাখা উচিত।
  • জুমার খুতবার মর্যাদা রক্ষায় অপ্রয়োজনীয় কথা এড়িয়ে চলতে হবে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন