৫/৭. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৭৪০-[১৯] - মৃতের জন্য মাতমের ভয়াবহতা

মৃত ব্যক্তির জন্য কাঁদা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মৃতের জন্য মাতম: কিয়ামতের দিনের কঠোর সতর্কতা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৭৪০-[১৯]

عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللّهِ ﷺ يَقُوْلُ: «مَنْ نِيحَ عَلَيْهِ فَإِنَّه يُعَذَّبُ بِمَا نِيحَ عَلَيْهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

মুগীরাহ্ ইবনু শু'বাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি যে, মৃত ব্যক্তির জন্য মাতম করা হয় কিয়ামতের দিন সে মৃতকে এ মাতমের জন্য শাস্তি দেয়া হবে (বুখারী, মুসলিম) [১]

[১] সহীহ : বুখারী ১২৯১, মুসলিম ৯৩৩, আত্ তিরমিযী ১০০০, আহমাদ ১৮২৩৭, ইবনু আবী শায়বাহ্ ১২০৯৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৭১৬৯, শারহুস্ সুন্নাহ্ ১১৫, সহীহ আত্ তারগীব ৩৫২০।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৭৪০-[১৯]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) মৃত ব্যক্তির জন্য মাতম করার বিষয়ে কঠোর সতর্কতা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যার জন্য মাতম করা হয়, কিয়ামতের দিন সে মৃতকে ঐ মাতমের কারণে শাস্তি দেওয়া হবে। এই হাদিস বুঝতে গিয়ে আগের হাদিসগুলোর শিক্ষা মনে রাখা দরকার—চোখের পানি ও হৃদয়ের শোকের জন্য শাস্তি নেই, কিন্তু জিহ্বা ও বিলাপের ব্যাপারে সতর্কতা আছে। তাই এখানে মূল বিষয় হলো সীমা ছাড়ানো মাতম, হা-হুতাশ এবং জাহিলিয়্যাতের মতো বিলাপ। শোকাহত পরিবারকে তাই এমন কথা ও আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে, যা মৃতের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। মুমিনের পথ হলো ধৈর্য, দোয়া, ইস্তিরজা এবং আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্ট থাকার চেষ্টা।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • মৃতের জন্য মাতম করা কঠোর সতর্কতার বিষয়।
  • স্বাভাবিক কান্না ও সীমা ছাড়ানো বিলাপ এক নয়—এ পার্থক্য বুঝতে হবে।
  • শোকের সময় জিহ্বা, শব্দ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
  • মৃতের জন্য দোয়া ও ধৈর্য মাতমের চেয়ে উত্তম পথ।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন