৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮২-[১] - সাহরীর বরকত ও গুরুত্ব
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - প্রথম অনুচ্ছেদ
সাহরীর বরকত: রোজার আগে সুন্দর প্রস্তুতি
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৮২-[১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৮২-[১]
عَنْ أَنَسٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: تَسَحَّرُوْا فَإِنَّ فِى السَّحُوْرِ بَرَكَةً (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ তোমরা ‘সাহরী’ খাও। সাহরীতে অবশ্যই বারাকাত আছে। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৯২৩, মুসলিম ১০৯৫, তিরমিযী ৭০৮, নাসায়ী ২১৪৬, ইবনু মাজাহ ১৬৯২, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ৭৫৯৮, ইবনু আবী শায়বাহ্ ৮৯১৩, ইবনু খুযায়মাহ্ ১৯৩৭, আহমাদ ১১৯৫০, দারিমী ১৭৩৮, সহীহ আত্ তারগীব ১০৬৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮২-[১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুব সংক্ষিপ্ত ভাষায় সাহরীর গুরুত্ব বলেছেন। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, তোমরা সাহরী খাও; কারণ সাহরীতে বরকত আছে। এখানে মূল শিক্ষা হলো, রোজা রাখার আগে সাহরী শুধু খাবার নয়, বরং বরকতময় আমল। হাদিসের ভাষা সহজ, কিন্তু অর্থ গভীর। সাহরী রোজাদারকে দিনের ইবাদতের জন্য প্রস্তুত করে এবং নবীজির নির্দেশ মানার সুযোগ দেয়। এই হাদিস থেকে সাহরীর বরকত, রমাযানের সাহরী এবং রোজার প্রস্তুতি—এসব বিষয় পরিষ্কার হয়। তবে হাদিসে নির্দিষ্ট খাবারের কথা এখানে বলা হয়নি; শুধু সাহরী খাওয়ার নির্দেশ এবং এর বরকতের কথা এসেছে। তাই রোজাদারের উচিত অবহেলা না করে সাহরীকে গুরুত্ব দেওয়া।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রোজার আগে সাহরী খাওয়া নবীজির নির্দেশ।
- সাহরীর মধ্যে বরকত আছে বলে হাদিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে।
- সাহরী রমাযানের গুরুত্বপূর্ণ আমলগুলোর একটি।
- ইবাদতের প্রস্তুতিকে অবহেলা করা উচিত নয়।
