৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৯৭-[১৬] - রমাযানের বরকতময় সাহরী
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
বরকতপূর্ণ সাহরী: নবীজির ডাকে রমাযানের শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৯৭-[১৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৯৭-[১৬]
وَعَنِ الْعِرْبَاضِ بْنِ سَارِيَةَ قَالَ: دَعَانِىْ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ إِلَى السَّحُورِ فِىْ رَمَضَانَ فَقَالَ: «هَلُمَّ إِلَى الْغَدَاءِ الْمُبَارَكِ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِىُّ
'ইরবায ইবনু সারিয়াহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) (একদিন) আমাকে রমাযানের সাহরী খেতে ডাকলেন এবং বললেন, বারাকাতপূর্ণ খাবার খেতে এসো। (আবূ দাঊদ ও নাসায়ী)[১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৩৪৪, নাসায়ী ২১৬৫, সহীহাহ্ ২৯৮৩, সহীহ আল জামি‘ ৭০৪৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৯৭-[১৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইরবায ইবনু সারিয়াহ রা. বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে রমাযানের সাহরী খেতে ডাকলেন এবং বললেন, বরকতপূর্ণ খাবারের দিকে এসো। এখানে সাহরীকে “বরকতপূর্ণ খাবার” বলা হয়েছে। তাই সাহরী শুধু ক্ষুধা দূর করার বিষয় নয়; এটি রমাযানের এক সুন্দর আমল। আগের হাদিসগুলোর মতো এখানেও সাহরীর বরকত পরিষ্কারভাবে এসেছে। তবে এই বর্ণনায় বিশেষ করে নবীজির ডাক এবং রমাযানের সাহরীর কথা এসেছে। সাহরীর বরকত, রমাযানের সাহরী এবং সাহরী খাওয়ার ফজিলত—এসব বিষয় এই হাদিসের মূল কীওয়ার্ড। রোজাদারের জন্য শিক্ষা হলো, সাহরীকে অবহেলা না করা এবং এটিকে বরকতময় আমল হিসেবে গ্রহণ করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরীকে নবীজি বরকতপূর্ণ খাবার বলেছেন।
- রমাযানে সাহরী খাওয়ার বিশেষ গুরুত্ব আছে।
- সাহরীর জন্য অন্যকে ডাকা বা উৎসাহ দেওয়া ভালো আমল হতে পারে।
- সাহরীকে শুধু খাবার নয়, বরকতের সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত।
