৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৩-[২] - সাহরী মুসলিম রোজার পরিচয়
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - প্রথম অনুচ্ছেদ
সাহরী: মুসলিমদের রোজার আলাদা পরিচয়
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৮৩-[২]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৮৩-[২]
وَعَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: فَصْلُ مَا بَيْنَ صِيَامِنَا وَصِيَامِ أَهْلِ الْكِتَابِ أَكْلَةُ السَّحَرِ. رَوَاهُ مُسْلِمٌ
‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আমাদের ও আহলে কিতাবদের (ইয়াহূদী ও খৃষ্টান) সাওমের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরীর। (মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : মুসলিম ১০৯৬, আবূ দাঊদ ২৩৪৩, তিরমিযী ৭০৯, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ৭৬০২, ইবনু আবী শায়বাহ্ ৮৯১৫, আহমাদ ১৭৭৬২, ১৭৭৭১, ১৭৮০১, ইবনু খুযায়মাহ্ ১৯৪০, ইবনু হিব্বান ৩৪৭৭, দারিমী ১৭৩৯, আল আওসার লিত্ব ত্ববারানী ৩২০৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮১১৫, সহীহ আত্ তারগীব ১০৬৪, সহীহ আল জামি‘ ৪২০৭, নাসায়ী ২১৬৬।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৩-[২]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুসলিমদের সাওমের একটি বিশেষ দিক তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, আমাদের সাওম এবং আহলে কিতাবদের সাওমের মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরীর খাবার। অর্থাৎ সাহরী শুধু রোজার আগে খাবার গ্রহণ নয়; এটি মুসলিম রোজার আলাদা পরিচয়ের অংশ। এই হাদিস থেকে বোঝা যায়, সাহরীকে হালকা মনে করার সুযোগ নেই। সাহরীর বরকত, সাহরীর গুরুত্ব এবং মুসলিমদের রোজার বৈশিষ্ট্য—সবই এখানে একসাথে বোঝা যায়। তবে হাদিসে অন্যদের সম্পর্কে দীর্ঘ আলোচনা করা হয়নি; শুধু পার্থক্যের জায়গা হিসেবে সাহরীকে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই রোজাদার ব্যক্তি সাহরী খেয়ে নবীজির শেখানো পথ অনুসরণ করতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাহরী মুসলিমদের সাওমের একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য।
- রোজার আমলে নবীজির নির্দেশিত পদ্ধতি মানা জরুরি।
- সাহরীকে শুধু খাবার নয়, ইবাদতের প্রস্তুতি হিসেবে দেখা উচিত।
- মুসলিম রোজার পরিচয়ে সাহরীর বিশেষ স্থান আছে।
