৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৪-[৩] - দ্রুত ইফতার করার কল্যাণ
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - প্রথম অনুচ্ছেদ
দ্রুত ইফতার: রোজাদারের কল্যাণের পথ
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৮৪-[৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৮৪-[৩]
وَعَنْ سَهْلٍ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: لَا يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ যতদিন পর্যন্ত মানুষ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৯৫৭, মুসলিম ১০৯৮, তিরমিযী ৬৯৯, মুয়াত্ত্বা মালিক ১০১১, মুসান্নাফ ‘আবদুর রাযযাক ৭৫৯২, ইবনু মাজাহ ১৬৯৭, আহমাদ ২২৮০৪, দারিমী ১৭৪১, ইবনু খুযায়মাহ্ ২০৫৯, মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ৫৭১৮, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮১১৮, শু‘আবূল ঈমান ৩৬৩০, ইবনু হিব্বান ৩৫০২, ইরওয়া ৯১৭, সহীহাহ্ ২০৮১, সহীহ আত্ তারগীব ১০৭৩, সহীহ আল জামি‘ ৭৬৯৪।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৪-[৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দ্রুত ইফতার করার গুরুত্ব বলেছেন। তিনি বলেছেন, মানুষ ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে, যতদিন তারা তাড়াতাড়ি ইফতার করবে। এখানে তাড়াহুড়া করে সময়ের আগে ইফতার করার কথা বলা হয়নি; বরং ইফতারের সময় হয়ে গেলে দেরি না করার শিক্ষা এসেছে। রোজাদার অনেক সময় বেশি সতর্কতার নামে ইফতার বিলম্ব করে, কিন্তু এই হাদিসে সময় হওয়ার পর দ্রুত ইফতারকে কল্যাণের কারণ বলা হয়েছে। তাই দ্রুত ইফতার, ইফতারের সময় এবং রোজার সুন্নাহ—এই বিষয়গুলো এখানে মূল আলোচ্য। হাদিসটি রোজাদারকে সহজ পথ শেখায়: সূর্য ডোবার পর ইফতার বিলম্ব না করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফতারের সময় হলে অযথা দেরি করা উচিত নয়।
- দ্রুত ইফতার করার মধ্যে কল্যাণের কথা হাদিসে এসেছে।
- রোজার ক্ষেত্রে নবীজির শেখানো সময় মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
- অতিরিক্ত কঠোরতা নয়, সুন্নাহর সহজ পথ অনুসরণ করা উচিত।
