৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৯-[৮] - সময় হলে দ্রুত ইফতার
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
দ্রুত ইফতার করা: আল্লাহর কাছে প্রিয় আমল
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৮৯-[৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৮৯-[৮]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «قَالَ اللّٰهُ تَعَالٰى: أَحَبُّ عِبَادِىْ إِلَىَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا». رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার কাছে সে বান্দা বেশি প্রিয় যে (সময় হয়ে যাবার সাথে সাথে) ইফতার করতে ব্যস্ত হয়। (তিরমিযী)[১]
[১] য‘ঈফ : তিরমিযী ৭০০, ইবনু খুযায়মাহ্ ২০৬২, ইবনু হিব্বান ৩৫০৭, আহমাদ ৭২৪১, ৮৩৬০, ৯৮১০, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮১২০, রিয়াযুস্ সলিহীন ১২৪৪, য‘ঈফ আত্ তারগীব ৬৪৯, য‘ঈফ আল জামি‘ ৪০৪১। কারণ এর সানাদে কুবরাহ্ ইবনু ‘আবদুর রহমান মন্দ স্মৃতিশক্তিজনিত কারণে একজন দুর্বল রাবী।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৯-[৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে কুদসী অর্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আল্লাহ তা‘আলা বলেন, আমার কাছে সে বান্দা বেশি প্রিয়, যে ইফতার করতে সবচেয়ে আগে এগিয়ে যায়। এখানে উদ্দেশ্য হলো, ইফতারের সময় হয়ে গেলে দেরি না করা। রোজাদার সারাদিন সাওম রাখার পর সূর্য ডোবার সময় আল্লাহর দেওয়া রিযক গ্রহণ করে। এই হাদিস দ্রুত ইফতারের গুরুত্বকে আরও শক্তভাবে মনে করিয়ে দেয়। তবে সময় হওয়ার আগেই ইফতার করার কথা এখানে নেই। বরং সময় হয়ে গেলে বিলম্ব না করার কথা এসেছে। দ্রুত ইফতার, ইফতারের সুন্নাহ এবং আল্লাহর ভালোবাসা—এই বিষয়গুলো এই হাদিসের মূল আলোচ্য।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ইফতারের সময় হলে দেরি না করা পছন্দনীয় আমল।
- দ্রুত ইফতারকারীদের প্রতি আল্লাহর ভালোবাসার কথা হাদিসে এসেছে।
- রোজার ক্ষেত্রে সময় মেনে চলা গুরুত্বপূর্ণ।
- ইফতারের সময় অতিরিক্ত বিলম্ব করা সুন্নাহর পথ নয়।
