৭/২. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৮-[৭] - আযানের সময় সাহরীর বাসন
সওম পর্বের বিক্ষিপ্ত মাসআলা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ফজরের আযান ও সাহরী: হাতে থাকা খাবারের শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ১৯৮৮-[৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ১৯৮৮-[৭]
وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: إِذَا سَمِعَ النِّدَاءَ أَحَدُكُمْ وَالْإِنَاءُ فِىْ يَدِه فَلَا يَضَعْهُ حَتّٰى يَقْضِىَ حَاجَتَه مِنْهُ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ (সাহরী খাবার সময়) তোমাদের কেউ ফজরের আজান শুনতে পেলে সে যেন হাতের বাসন রেখে না দেয়। বরং নিজের প্রয়োজন সেরে নেবে। (আবূ দাঊদ)[১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২৩৫০, আহমাদ ৯৪৭৪, ১০৬২৯, ১০৬৩০, মুসতাদারাক লিল হাকিম ৭২৯, সহীহাহ্ ১৩৯৪, সহীহ আল জামি‘ ৬০৭।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ১৯৮৮-[৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে সাহরীর শেষ মুহূর্তের একটি নির্দিষ্ট অবস্থার কথা এসেছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমাদের কেউ ফজরের আযান শুনতে পেলে এবং তার হাতে বাসন থাকে, সে যেন তা রেখে না দেয়; বরং নিজের প্রয়োজন সেরে নেয়। এখানে সাধারণভাবে আযানের পর নতুন করে খাওয়া শুরু করার কথা বলা হয়নি; বরং হাতে থাকা পাত্রের প্রসঙ্গ এসেছে। তাই ব্যাখ্যায় সতর্ক থাকা দরকার। এই হাদিসের মূল কথা হলো, সাহরীর সময়, ফজরের আযান এবং হাতে থাকা খাবার নিয়ে একটি সহজ নির্দেশনা। রোজাদারের জন্য এটি জানার বিষয়, যাতে শেষ মুহূর্তে অযথা বিভ্রান্তি না হয়। তবে সময়ের নিয়ম ও স্থানীয় আযানের বাস্তব অবস্থাও ইসলামী স্কলারদের মতে আলাদা আলোচনার বিষয় হতে পারে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসে হাতে থাকা বাসনের নির্দিষ্ট অবস্থার কথা এসেছে।
- সাহরীর শেষ সময়ের বিষয়ে তাড়াহুড়া করে ভুল ধারণা করা উচিত নয়।
- রোজার নিয়ম বুঝতে হাদিসের ভাষা ঠিকভাবে দেখা জরুরি।
- ফজরের আযান ও সাহরীর বিষয়ে সতর্কতা দরকার।
