২/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৬-[৫৯] - রাতে ইলম আলোচনার ফজিলত
ইলম (বিদ্যা) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
রাতে ইলম আলোচনা করার ফজিলত
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৫৬-[৫৯]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৫৬-[৫৯]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ تَدَارُسُ الْعِلْمِ سَاعَةً مِنْ اللَّيْلِ خَيْرٌ مِنْ إِحْيَائِهَا. رَوَاهُ الدَّارِمِيّ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাতে সামান্য কিছু সময় দ্বীনের জ্ঞান আলোচনা করা (ইবাদতে রত থাকা) গোটা রাত জাগরণ অপেক্ষা উত্তম। [১]
[১] য‘ঈফ : দারিমী ২৬৪। এতে এমন এক ব্যক্তি রয়েছেন যার নাম জানা যায়নি।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৫৬-[৫৯]-এর সারসংক্ষেপ
ইবনু আব্বাস রা. থেকে এসেছে, রাতে সামান্য সময় দ্বীনের জ্ঞান আলোচনা করা গোটা রাত জাগরণের চেয়ে উত্তম। এই বর্ণনায় ইলম আলোচনা বা তাদারুসের গুরুত্ব বোঝানো হয়েছে। রাতের ইবাদত বড় নেক কাজ; তবু এখানে বলা হয়েছে, দ্বীনের জ্ঞান নিয়ে কিছু সময় আলোচনা করা তার চেয়েও উত্তম। কারণ ইলম মানুষকে সঠিকভাবে ইবাদত করতে শেখায়, ভুল থেকে বাঁচায় এবং অন্যদের উপকারে আসে। তবে এই হাদিসের শিক্ষা নিতে গিয়ে ইবাদতকে ছোট করে দেখা ঠিক নয়। বরং বোঝা যায়, ইলম ও ইবাদত একে অন্যের সহায়ক। জ্ঞান ছাড়া আমল দুর্বল হতে পারে; আর ইলম আলোচনা মানুষকে দ্বীনের পথে সচেতন করে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- দ্বীনের জ্ঞান আলোচনা করা বড় ফজিলতের কাজ।
- ইলম মানুষকে সঠিকভাবে ইবাদত করতে সাহায্য করে।
- রাতের কিছু সময় ইলম শেখা বা আলোচনা করা মূল্যবান।
- ইলম ও ইবাদতকে একসাথে ধরে রাখা উচিত।
