২/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৪-[৬৭] - আখিরাতের চিন্তার বর্ণনা
ইলম (বিদ্যা) - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
আখিরাতের চিন্তা নিয়ে ইবনু উমরের বর্ণনা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৪-[৬৭]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৪-[৬৭]
وَرَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِىْ شُعَبِ الإِيْمَانِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مِنْ قَوْلِه : مَنْ جَعَلَ الْهُمُوْمَ إِلى اۤخِرِه
বায়হাক্বী এ হাদীসকে শু'আবুল ঈমানে ইবনু উমর (রাঃ) থেকে তাঁর বক্তব্য হিসেবে শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন।” [১]
[১] সহীহ : শু‘আবুল ঈমান ১০৩৪০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৪-[৬৭]-এর সারসংক্ষেপ
এই সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় বলা হয়েছে, বায়হাকী শু‘আবুল ঈমানে ইবনু উমর (রাঃ) থেকে একই অর্থের বক্তব্য শেষ পর্যন্ত বর্ণনা করেছেন। এখানে মূল বিষয় হলো আখিরাতের চিন্তা এবং দুনিয়ার চিন্তার সঙ্গে তার পার্থক্য। আগের বর্ণনার সঙ্গে মিল রেখে বোঝা যায়, একজন মানুষের চিন্তার কেন্দ্র যদি আখিরাত হয়, তবে তার জীবন বেশি সুশৃঙ্খল পথে থাকে। আর যখন দুনিয়ার নানা দিক মানুষকে ব্যস্ত করে ফেলে, তখন মন ছড়িয়ে যায়। এই হাদিসের পাঠ খুব ছোট হলেও এর শিক্ষা গভীর: ইলম, আমল ও চিন্তার দিক ঠিক রাখা দরকার। আখিরাতকে ভুলে গিয়ে দুনিয়ার চিন্তায় হারিয়ে যাওয়া মুমিনের জন্য নিরাপদ পথ নয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- আখিরাতের চিন্তা মানুষের লক্ষ্যকে ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
- দুনিয়ার নানা চিন্তায় মন ছড়িয়ে পড়া ক্ষতির কারণ হতে পারে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও বড় শিক্ষা বহন করতে পারে।
- ইলমের সঙ্গে আখিরাতমুখী ভাবনা থাকা জরুরি।
