১১/১০. অধ্যায়ঃ

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৭২-[১৪] - কুরবানীর দিনে তাওয়াফে যিয়ারত দেরি

কুরবানির দিনের ভাষণ, আইয়ামে তাশরিকে পাথর মারা ও বিদায়ী তাওয়াফ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

তাওয়াফে যিয়ারত রাত পর্যন্ত দেরি করার বর্ণনা

মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৭২-[১৪]

وَعَنْ عَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهُمْ أَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ أَخَّرَ طَوَافَ الزِّيَارَةِ يَوْمَ النَّحْرِ إِلَى اللَّيْلِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِىُّ وَأَبُوْ دَاوُدَ وَابْن مَاجَهْ

আয়িশাহ্ ও ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসুলুল্লাহ (ﷺ) তাওয়াফে যিয়ারত কুরবানীর দিনে (১০ তারিখে) রাত পর্যন্ত দেরি করেছিলেন। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)[১]

[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২০০০, তিরমিযী ৯২০, ইবনু মাজাহ ৩০৫৯, আহমাদ ২৬১২।

মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৭২-[১৪]-এর সারসংক্ষেপ

এই হাদিসে আয়িশা (রাঃ) ও ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর সূত্রে বলা হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) কুরবানীর দিনে তাওয়াফে যিয়ারত রাত পর্যন্ত দেরি করেছিলেন। তাওয়াফে যিয়ারতকে তাওয়াফে ইফাযাহও বলা হয়। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই এর ব্যাখ্যাও সংক্ষিপ্ত সীমার মধ্যে রাখা উচিত। এখানে মূল বিষয় হলো, কুরবানীর দিনেই এই তাওয়াফ সম্পন্ন হয়েছে, তবে তা রাত পর্যন্ত দেরি করা হয়েছে। এটি তাওয়াফে যিয়ারতের সময় নিয়ে একটি বর্ণনা দেয়। এই হাদিস থেকে শুধু এতটুকুই স্পষ্ট যে নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর আমলে তাওয়াফে যিয়ারত কুরবানীর দিনের রাত পর্যন্ত বিলম্বিত হয়েছে। অতিরিক্ত বিধান বা শর্ত যোগ করা এই পাঠের বাইরে চলে যাবে।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • তাওয়াফে যিয়ারত কুরবানীর দিনের সঙ্গে যুক্ত।
  • নবী (صلى الله عليه وسلم) এটি রাত পর্যন্ত দেরি করেছিলেন।
  • সংক্ষিপ্ত হাদিস থেকে অতিরিক্ত দাবি না করা উচিত।
  • তাওয়াফে ইফাযাহর সময় নিয়ে একটি সরাসরি বর্ণনা পাওয়া যায়।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন