১১/১০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৭৩-[১৫] - তাওয়াফে ইফাযাহতে রমল না করার বর্ণনা
কুরবানির দিনের ভাষণ, আইয়ামে তাশরিকে পাথর মারা ও বিদায়ী তাওয়াফ করা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
তাওয়াফে ইফাযাহতে রমল না করার হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৬৭৩-[১৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৬৭৩-[১৫]
وَعَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ: أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ لَمْ يَرْمُلْ فِى السَّبْعِ الَّذِىْ أَفَاضَ فِيهِ. رَوَاهُ أَبُوْ دَاوُدَ وَابْنُ مَاجَهْ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) তাওয়াফে ইফাযার (তাওয়াফে যিয়ারতের) সাত চক্কর রমল করেননি (জোর পায়ে চলেননি)। (আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ)[১]
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ২০০১, তিরমিযী ৩০৬০, সহীহ ইবনু খুযায়মাহ্ ২৯৪৩, মুসতাদ্রাক লিল হাকিম ১৭৪৬, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৯২৮৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৬৭৩-[১৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) তাওয়াফে ইফাযাহর সাত চক্করে রমল করেননি। রমল বলতে জোর পায়ে বা দ্রুত ভঙ্গিতে চলাকে বোঝানো হয়েছে, যা অনুবাদে উল্লেখ আছে। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু তাওয়াফের ধরন বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখানে শুধু তাওয়াফে ইফাযাহর সাত চক্করের কথা এসেছে এবং সেখানে রমল না করার কথা বলা হয়েছে। তাই ব্যাখ্যায় অন্য তাওয়াফের নিয়ম বা আলাদা তুলনা টানা ঠিক হবে না। এই বর্ণনা থেকে এতটুকুই জানা যায় যে তাওয়াফে ইফাযাহর সময় নবী (صلى الله عليه وسلم) জোর পায়ে চলেননি। হজের আমল বুঝতে এমন সংক্ষিপ্ত বর্ণনাও দরকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে ইফাযাহর সাত চক্করের কথা এসেছে।
- নবী (صلى الله عليه وسلم) এই তাওয়াফে রমল করেননি।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনাকেও তার সীমার মধ্যে বুঝতে হবে।
- তাওয়াফের ধরন সম্পর্কে নির্দিষ্ট হাদিস থেকে শিক্ষা নেওয়া যায়।
