১২/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭৮১-[২৩] - হালাল উপার্জন ফরজ আমলের অংশ
উপার্জন করা এবং হালাল রুজি অবলম্বনের উপায় সন্ধান করা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
হালাল উপার্জন কেন ফরজ দায়িত্ব
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৭৮১-[২৩]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৭৮১-[২৩]
عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «طَلَبُ كَسْبِ الْحَلَالِ فَرِيضَةٌ بَعْدَ الْفَرِيضَةِ». رَوَاهُ الْبَيْهَقِيُّ فِي شعب الْإِيمَان
আবদুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : অন্যান্য ফরজ কাজ আদায়ের সাথে হালাল রুজি-রোজগারের ব্যবস্থা গ্রহণ করাও একটি ফরজ।
[১] খুবই দুর্বল : শু‘আবুল ঈমান ৮৩৬৭, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১১৬৯৫। কারণ এর সনদে ‘আববাদ বিন কাসীর’ একজন মাতরূক রাবী।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৭৮১-[২৩]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم খুব সংক্ষেপে হালাল উপার্জনের গুরুত্ব বুঝিয়েছেন। মানুষ নামাজ, রোজা ও অন্যান্য ফরজ কাজের যত্ন নেয়; একইভাবে নিজের রুযী-রোজগার হালাল করার দিকেও নজর দিতে হয়। এখানে মূল শিক্ষা হলো, আয় করার পথ যেন বৈধ, পরিষ্কার এবং আল্লাহর সন্তুষ্টির সঙ্গে মিলে যায়। হালাল রুযী শুধু পেট চালানোর বিষয় নয়; এটি দ্বীনের দায়িত্বের সঙ্গে জড়িত। তাই কাজ, ব্যবসা, চাকরি বা সেবা—যে পথেই আয় হোক, সেখানে হারাম, প্রতারণা ও অন্যের অধিকার নষ্ট করা থেকে বাঁচা জরুরি। এই বর্ণনা মুসলিমকে মনে করিয়ে দেয়, উপার্জনও ইবাদতের মতো জবাবদিহির বিষয়। তাই প্রতিদিনের জীবনে আয়-ব্যয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এই শিক্ষা মনে রাখা একজন মুসলিমের জন্য উপকারী।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হালাল রুযী খোঁজা মুসলিম জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
- ফরজ ইবাদতের পাশাপাশি আয়ের পথও শুদ্ধ রাখা দরকার।
- উপার্জনের ক্ষেত্রে হারাম থেকে বাঁচা সরাসরি দ্বীনের শিক্ষা।
- কাজ বা ব্যবসায় আল্লাহভীতি থাকলে আয় বরকতময় হওয়ার আশা থাকে।
