১২/৪. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৫৯-[২৬] - পানি দিয়ে ঘাসের মূল্য নয়
নিষিদ্ধ বস্তু ক্রয়-বিক্রয় - প্রথম অনুচ্ছেদ
পানি আটকে ঘাসের মূল্য আদায় করা যাবে না
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৮৫৯-[২৬]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৮৫৯-[২৬]
وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا يُبَاع فضل المَاء ليباع بِهِ الْكلأ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : উৎপাদিত ঘাসের মূল্য আদায়ের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানির মূল্য গ্রহণ করতে পারবে না।
[১] সহীহ : বুখারী ২৩৫৩, মুসলিম ১৫৬৬, সহীহ আল জামি‘ ৭৪৮৬।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৮৫৯-[২৬]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, উৎপাদিত ঘাসের মূল্য আদায়ের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানির মূল্য গ্রহণ করা যাবে না। অর্থাৎ পানি এমনভাবে ব্যবহার বা আটকে রাখা যাবে না, যাতে অন্যরা ঘাসের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয় এবং পানি বিক্রির নামে ঘাসের দাম আদায় করা হয়। এখানে লেনদেনের কৌশল ও ফাঁকিবাজির পথ বন্ধ করা হয়েছে। হাদিসটি খুব বাস্তব শিক্ষা দেয়: শুধু সরাসরি অন্যায় নয়, অন্যায়ের দিকে নেওয়া কৌশলও এড়িয়ে চলতে হয়। পানি, ঘাস, পশুচারণ এবং মানুষের উপকার—এসব বিষয়ে ন্যায্যতা বজায় রাখা ইসলামের বাজারনৈতিক শিক্ষার অংশ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- পানি বিক্রির নামে ঘাসের মূল্য আদায়ের কৌশল করা উচিত নয়।
- অন্যের প্রয়োজন আটকে রেখে লাভ করা ন্যায্যতার সঙ্গে যায় না।
- ইসলাম সরাসরি অন্যায়ের পাশাপাশি ফাঁকির পথ থেকেও সতর্ক করে।
