১২/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯০২-[৪] - অক্ষম ঋণীকে সহজ করার পুরস্কার
দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান - প্রথম অনুচ্ছেদ
অক্ষম ঋণগ্রস্তকে সহজ করার হাদিস
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯০২-[৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯০২-[৪]
وَعَنْ أَبِي قَتَادَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُنْجِيَهُ اللَّهُ مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ فَلْيُنَفِّسْ عَنْ مُعْسِرٍ أَوْ يَضَعْ عَنْهُ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যে ব্যক্তি এ কামনা করে যে, আল্লাহ তা'আলা তাকে কেয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট হতে মুক্তি দেন, সে যেন অক্ষম ঋণগ্রস্তকে সহজ উপায় করে দেয় অথবা ঋণ মাওকূফ করে দেয়।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৫৬৩, সহীহ আত্ তারগীব ৯০৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯০২-[৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم এমন একটি আমলের কথা বলেছেন, যা কেয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তির আশা জাগায়। তিনি বলেছেন, যে ব্যক্তি চায় আল্লাহ তাকে কেয়ামতের কষ্ট থেকে মুক্তি দিন, সে যেন অক্ষম ঋণগ্রস্তকে সহজ উপায় করে দেয় অথবা তার ঋণ মাওকূফ করে দেয়। এখানে ঋণগ্রস্ত বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝানো হয়েছে, যে সত্যিই পরিশোধে অক্ষম। তাই এই হাদিস ঋণদাতাকে কোমল হতে শেখায়। পাওনা থাকলেও মানুষের কষ্ট বুঝে সময় দেওয়া, চাপ কমানো বা ঋণ মাফ করা ঈমানি চরিত্রের অংশ। এটি শুধু আর্থিক লেনদেন নয়, মানুষের প্রতি দয়া ও আল্লাহর কাছে মুক্তির আশা করার পথ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অক্ষম ঋণীকে সময় দেওয়া বা সহজ করা প্রশংসনীয় আমল।
- ঋণ মাওকূফ করা কেয়ামতের কষ্ট থেকে মুক্তির আশা জাগায়।
- পাওনা আদায়ের সময় মানুষের বাস্তব অসুবিধা বিবেচনা করা উচিত।
- লেনদেনে দয়া ইসলামের সুন্দর শিক্ষা।
