১২/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯০৩-[৫] - ঋণীকে সময় দেওয়া ও মাফের ফজিলত
দেউলিয়া (দারিদ্র্য) হওয়া এবং ঋণীকে অবকাশ দান - প্রথম অনুচ্ছেদ
ঋণীকে সময় দেওয়া ও ঋণ মাওকূফের শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯০৩-[৫]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯০৩-[৫]
وَعَنْهُ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا أَوْ وَضَعَ عَنْهُ أَنْجَاهُ اللَّهُ مِنْ كُرَبِ يَوْمِ الْقِيَامَة». رَوَاهُ مُسلم
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ) কে বলতে শুনেছি, যে ব্যক্তি অক্ষম ঋণীকে সময় দিবে অথবা ঋণ মাওকূফ করে দেবে, আল্লাহ তা'আলা কেয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট হতে তাকে মুক্তি দান করবেন।
[১] সহীহ : মুসলিম ১৫৬৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯০৩-[৫]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে অক্ষম ঋণীকে সময় দেওয়া এবং ঋণ মাওকূফ করার ফজিলত স্পষ্টভাবে এসেছে। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-কে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি অক্ষম ঋণীকে সময় দেয় অথবা তার ঋণ মাওকূফ করে দেয়, আল্লাহ তাকে কেয়ামত দিবসের দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্তি দান করবেন। এখানে দুটি কাজের কথা বলা হয়েছে: সময় দেওয়া এবং ঋণ মাফ করা। সব সময় ঋণদাতার পক্ষে পুরো ঋণ মাফ করা সম্ভব নাও হতে পারে। কিন্তু অক্ষম ঋণীকে চাপ না দিয়ে সময় দেওয়া এই হাদিসের শিক্ষার মধ্যে পড়ে। হাদিসটি আমাদের শেখায়, ঋণ লেনদেনে শুধু হিসাব নয়, দয়া ও মানবিকতা থাকা দরকার।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- অক্ষম ঋণীকে সময় দেওয়া দয়ার কাজ।
- সামর্থ্য থাকলে ঋণ মাওকূফ করা বড় কল্যাণের কারণ হতে পারে।
- ঋণ আদায়ের সময় অক্ষমতা ও কষ্ট বুঝে আচরণ করা উচিত।
- কেয়ামতের কষ্ট থেকে মুক্তির আশায় মানুষের কষ্ট কমানো দরকার।
