৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯১-[৯৪] - ওজুর চিহ্ন ও মুমিনের অলংকার
পাক-পবিত্রতা - প্রথম অনুচ্ছেদ
মুমিনের অলংকার: ওজুর পানি যেখানে পৌঁছে
মিশকাতুল মাসাবীহ : ২৯১-[৯৪]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ২৯১-[৯৪]
وَعَنْهُ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ تَبْلُغُ الْحِلْيَةُ مِنْ الْمُؤْمِنِ حَيْثُ يَبْلُغُ الْوَضُوءُ.رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ (জান্নাতে) মুমিনের অলংকার অর্থাৎ উযূর চিহ্ন সে পর্যন্ত পৌঁছবে যে পর্যন্ত উযূর পানি পৌঁছবে (তাই উযূ সুন্দরভাবে করবে)। [১]
[১] সহীহ : মুসলিম ২৫০।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ২৯১-[৯৪]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে বলা হয়েছে, মুমিনের অলংকার সেই পর্যন্ত পৌঁছবে, যতদূর ওজুর পানি পৌঁছবে। হাদিসটি খুব ছোট, কিন্তু ওজুর যত্নের একটি সুন্দর শিক্ষা দেয়। ওজুর সময় মুখ, হাত, মাথা মাসাহ ও পা ধোয়ার যে নিয়ম আছে, তা ঠিকভাবে পালন করা উচিত। পানি অঙ্গের নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছানো শুধু বাহ্যিক পরিচ্ছন্নতার বিষয় নয়; হাদিসের ভাষায় এটি মুমিনের আখিরাতের সম্মানের সঙ্গেও যুক্ত। তাই ওজুতে অবহেলা করা, অঙ্গ শুকনো রেখে দেওয়া বা তাড়াহুড়া করা উচিত নয়। এখানে অতিরিক্ত দাবি করা হয়নি; বরং মূল শিক্ষা হলো, ওজু সুন্দরভাবে করা এবং পানি ঠিক জায়গায় পৌঁছানো।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- ওজুর পানি নির্ধারিত অঙ্গে পৌঁছানো দরকার।
- ওজুর চিহ্ন মুমিনের সম্মানের সঙ্গে যুক্ত।
- তাড়াহুড়া করে অসম্পূর্ণ ওজু করা থেকে বাঁচা উচিত।
- সুন্দর ওজু আখিরাতের পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত।
